ফারুক আহমেদ, ময়মনসিংহ :
বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীর আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান বলেছেন, আজ তরুণরা বলছে আমরা নতুন বাংলাদেশ দেখতে চাই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি মূল্যবান ভোট উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি হ্যা এবং অপরটি না ভোট। হ্যাঁ মানে আজাদী এবং না মানে গোলামী। তিনি উপস্থিতিদের প্রশ্ন রেখে বলেন আগামী নির্বাচনে চাঁদা বাণিজ্য করে তাদের ক্ষমতায় দেতে চানা না জনগণের সরকার দেখতে চান সিদ্ধান্ধ আপনাদের।
তিনি মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহে সার্কিট হাউজ মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত এক নির্বাচনী জন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন আগামী নির্বাচনে মা-বোনেরা ইনসাফের পক্ষে ভোট দিবে। তিনি একটি দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, মাঘ মাসে তাদের মাথা গরম হয়ে গেছে, চৈত্র মাস আসলে তাদের কি হবে? ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীকে স্মার্ট নগরী করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, তখন চাঁদা চাইতে পারবে না জালেমরা। তিনি বলেন ১২ তারিখ প্রথম ভোট হ্যা-তে দিবেন তার পর ১১ দলীয় জোট প্রার্থীদের ভোট দিবেন।
তরুণরা বেকার ভাতা চায় না। তিনি বলেন সরলমনা কৃষকদের কৃষক কার্ড দিবে বলে একটি দলের নেতা-কর্মীরা বলছে অথচ এই কৃষকদের সার না দিয়ে গুলি দিয়ে ছিল তারা। আগামী নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে দেশে কৃষি বিপ্লব ঘটানো হবে। তিনি অতীতে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, আমরা পেটের ভিতর হাত দিয়ে সেই টাকা আনতে পারি। বাংলাদেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়।
ময়মনসিংহ সদর আসনের ১১ দলীয় জোট প্রার্থী ও ময়মনসিংহ মহা নগর জামাতের আমীর মাওলানা কামরুল আহসান এমরুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় শিবিদের সাবেক সভাপতি ও জামাতের নির্বাহী সদস্য এ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় শিবিদের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জামাতের নির্বাহী সদস্য মুঞ্জুরুল ইসলাম ভূইয়া, ১১ দলীয় জোট নেতা মুসা বিন ইজহার, আঃ গনি, খেলাফত মজলিসের ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান আকন্দ, নেজামী ইসলাম ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি আজিজুল ইসলাম, এনসিপি নেতা ডাঃ জাহিদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনে জামাতের প্রার্থী আসাদুজ্জামান সোহেল, ময়মনসিংহ মহানগর জামাতের অমুসলিম শাখার সেক্রেটারী দেব ব্রত দাস প্রমুখ। এ সময় প্রধান অতিথি ময়মনসিংহের ১১ টি ও নেত্রকোণা জেলার ৫ টি আসনের ১১ দলীয় জোট প্রার্থীদের পরিচয় ও তাদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন।




