৭ দিনে ইউক্রেনের নতুন ১০ এলাকার দখল নিলো রুশ বাহিনী

মাত্র এক সপ্তাহে ইউক্রেনের নতুন ১০টি লোকালয় বা বসতির দখল নিয়েছে সেখানে অভিযানরত রুশ বাহিনী। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির তথ্য অনুযায়ী, দখলকৃত নতুন লোকালয়গুলো ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক, খারকিভ এবং জাপোরিজ্জিয়া প্রদেশের। ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর— এই ৭ দিনে এই লোকালয়গুলো দখল করেছে রুশ বাহিনী। একই সময়সীমায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ২২টি সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ডিপোও ধ্বংস করেছে রুশ সেনারা।

গত এক সপ্তাহে রুশ সেনাদের লক্ষ্য করে ইউক্রেনীয় বাহিনী কয়েকবার বিমান হামলার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু রুশ সেনারা প্রতিবার সেসব হামলা প্রতিহত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে। এসব হামলায় ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত রুশ বাহিনীর কাছে ইউক্রেন খুইয়েছে একটি

মাত্র এক সপ্তাহে ইউক্রেনের নতুন ১০টি লোকালয় বা বসতির দখল নিয়েছে সেখানে অভিযানরত রুশ বাহিনী। গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির তথ্য অনুযায়ী, দখলকৃত নতুন লোকালয়গুলো ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক, খারকিভ এবং জাপোরিজ্জিয়া প্রদেশের। ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর— এই ৭ দিনে এই লোকালয়গুলো দখল করেছে রুশ বাহিনী। একই সময়সীমায় ইউক্রেনীয় বাহিনীর ২২টি সমরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের ডিপোও ধ্বংস করেছে রুশ সেনারা।

গত এক সপ্তাহে রুশ সেনাদের লক্ষ্য করে ইউক্রেনীয় বাহিনী কয়েকবার বিমান হামলার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু রুশ সেনারা প্রতিবার সেসব হামলা প্রতিহত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে। এসব হামলায় ১৭ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত রুশ বাহিনীর কাছে ইউক্রেন খুইয়েছে একটি এসইউ-২৭ ফাইটার জেট, চারটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ১৮টি গাইডেড এভিয়েশন বোমা, ১৫টি হিমার্স রকেট এবং ১ হাজার ৪৪১টি ড্রোন।

রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই বিবৃতির ব্যাপারে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইউক্রেন।

কৃষ্ণ সাগরের ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ইউক্রেনের আবেদনকে ঘিরে কয়েক বছর টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। সেই অভিযান এখনও চলছে।

গত তিন বছরে ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, জাপোরিজ্জিয়া ও খেরসন প্রদেশের দখল নিয়েছে রুশ বাহিনী। এই প্রদেশগুলোর সম্মিলিত আয়তন ইউক্রেনের মোট ভূখণ্ডের ১০ শতাংশ।

রুশ বাহিনীর দখলকৃত অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ইউক্রেন। ফলে দুই দেশের সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

পূর্বের খবরকুবিতে ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল
পরবর্তি খবরফেসবুকে কপিরাইট ও জ্ঞানী সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে হারিয়ে ফেলেছি মূলধারার সাংবাদিকতা