ভালুকায় মাইকিংয়ের ১৯ দিন অতিবাহীত হলেও উচ্ছেদ হয়নি অবৈধস্থাপনা

জসিম আহম্মেদ, ভালুকা : ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে গত ২৪ আগস্ট ২৪ ঘন্টা সময় বেঁধে দিয়ে অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদের জন্য ভালুকার সর্বত্রই মাইকিং করা হয়। কিন্তু ১৯ দিন অতিবাহীত হলেও তা রহস্যজনক কারণে কার্য্যকর করা হয়নি। এতে ফুটপাত দিয়ে চলাচলরত ভূক্তভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতায় ময়মনসিংহ থেকে ভালুকার সিমান্তবর্তী মাষ্টাবাড়ি পর্যন্ত মহাসড়কের দু’পাশে এমনকি ভালুকা-মল্লিকবাড়ি ও ভালুকা-গফরগাঁও সড়কসহ বেশ কিছু শাখা রাস্তার পাশে কয়েক হাজার অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে উপজেলার মাষ্টারবাড়ী, সিডষ্টোর বাজারে গড়ে উঠেছে ফুটপাত এতে করে ভারি যানবাহনসহ সব ধরণের পন্যবাহি গাড়ি ও সাধারণ পথচারীদের দীর্ঘদিন ধরে চরম দূর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। এসব অবৈধ স্থাপনা ও মহাসড়কে ফুটপাত উচ্ছেদের ব্যাপারে বার বার বিভিন্ন দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কার্যত তেমন কোন উদ্যোগ নেয়নি সড়ক ও জনপথ বিভাগ। দু’একবার লোক দেখানো সামান্য উচ্ছেদ হলেও তা আবারো পূর্বের ন্যায় স্থাপনা গড়ে উঠে। গত ২৪ আগস্ট ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে ২৪ ঘন্টা বেঁধে দিয়ে অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ করার জন্য সমগ্র ভালুকায় মাইকিং করা হয়। কিন্তু ১৯ দিন পার হলেও রহস্যজনক কারণে তা কার্যকর করা হয়নি। এতে মহাসড়কের পাশ দিয়ে চলাচলরত ভূক্তভোগীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ (দক্ষিণ) অঞ্চলের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মীর আব্দুল মান্নান জানান, অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানটি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত। ভালুকা উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে সময় নির্ধারণ করে দিলেই অভিযান শুরু করা হবে। তাছাড়া এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোল্ডোজার সংগ্রহ করতে না পারায় অভিযান চালাতে বিলম্ব হচ্ছে।
ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ কামাল জানান, বিষয়টা সড়ক ও জনপথ বিভাগের। আমার সহযোগীতা চাইলে আমি তা করবো।
ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদ উজ্জামান জানান, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মীর আব্দুল মান্নানকে অবৈধস্থাপানা উচ্ছেদের ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু কেন উচ্ছেদ অভিযান করা হচ্ছেনা তা তাকে জিজ্ঞাস করলেই জানতে পারবো।