ডেঙ্গু হলে যা খেতে হবে, যা বাদ দিতে হবে

সারা দেশে ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু। এডিস মশার কামড় থেকে রেহাই পেতে দিনের বেলাতেও অনেক বাসাবাড়িতে মশারি টানানো হচ্ছে। দরোজা-জানালায় লাগানো হচ্ছে নেট, যেন একটি মশাও ঘরে প্রবেশ করতে না পারে। মশারির দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়।

ডেঙ্গু নিয়ে দেশজুড়ে যখন জনমনে আতঙ্ক তখন এই জ্বরে খাবারদাবার নিয়ে কিছু পরামর্শ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো:

ডেঙ্গু জ্বর হলে অনেকেরই পানি পান করতে ইচ্ছে হয় না। কিন্তু এ সময় দিনরাত মিলিয়ে অন্তত আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে। জুস কিংবা বাড়িতে তৈরি করা রস অথবা ডাবের পানি দিয়েও পানির চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।

ফলের রসে ভিটামিন ‘সি’ আছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ডেঙ্গু হলে মাল্টা, কমলা, লেবু, পেয়ারা, কিউই, স্ট্রবেরি, পেঁপে, আনার বা ডালিম ইত্যাদি খেতে হবে। এসব ফলে জলীয় অংশ অনেক। তা ছাড়া রুচি বাড়াতেও সাহায্য করবে। ডাবের পানিতে খনিজ বা ইলেট্রোলাইটস আছে, যা ডেঙ্গু জ্বরে খুবই দরকারি।

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে বিভিন্ন ধরনের সবজি থেঁতো করে জুস করে খেলে খুবই উপকার হয়। এই যেমন গাজর, টমেটো, শসা ইত্যাদি সবজি বেশি বেশি খান।

ডেঙ্গু হলে প্রতিদিন সবজি, টমেটো কিংবা চিকেন বা কর্ন স্যুপ খাওয়া ভালো। কারণ এতে পানির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পুষ্টিও নিশ্চিত হয়। সঙ্গে নরম সেদ্ধ করা খাবার, জাউ খেতে পারেন।

এই সময়টাতে অতিরিক্ত মসলা, তেল কিংবা চর্বিযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো। কারণ ডেঙ্গুতে অনেকেরই পেটে হজমের সমস্যা, বমি, পেট ব্যথা হয়। তবে আমিষের ঘাটতি পূরণে খাদ্যতালিকায় দুধ, ডিম, মাছ কিংবা মুরগির মাংস থাকতেই পারে।

ডেঙ্গু জ্বরে ভেষজ উপাদানে তৈরি খাবার খেতে পারলে খুবই উপকার পাওয়া যায়। এই যেমন হাতের নাগালে পাওয়া পেঁপে পাতা ‍চূর্ণ করে বেটে রস করে প্রতিদিন দুবেলা খেতে পারলে শরীরে অণুচক্রিকা বাড়বে। যা ডেঙ্গু জ্বরে খুব উপকারী।