ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টি

ধেয়ে আসছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী। এর প্রভাবে রাজধানীতে বৃষ্টি হচ্ছে। শুক্রবার ( ৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়।

এর আগে, শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণী’র প্রভাবে বরগুনায় ভোর থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে বইছে প্রচণ্ড বাতাস। শুক্রবার (৩ মে) ভোর সাড়ে ৩ টার বৃষ্টি শুরু হয়। এতে বরগুনার নদী পাড়ের মানুষ বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

দানবীয় রূপ নিয়ে ক্রমশ এগিয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। বাংলাদেশ অতিক্রম করার সময় ফণি’র গতি হবে ঘণ্টায় ১৫০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় নিচু এলাকায়গুলোয় স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

আবহাওয়া অধিদফতরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরে নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলায় এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরকে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৯০-১১০ কিমি বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।