সম্পর্কে ‘ব্রেকআপ’ ঠেকাবেন যেভাবে

চলার পথে জীবনের একটি অংশ প্রেম। আবার সেই প্রেম ভেঙে যাওয়ার সংকেত প্রত্যেকেই পায়। প্রেমিক-প্রেমিকা, দুজনই বুঝতে পারেন ভেতরে ভেতরে কীভাবে ক্ষয়ে যাচ্ছে সম্পর্কের সেতু। তবে চাইলে সেই ব্রেকআপকে আটকানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ব্রেকআপ থেকে বাঁচাতে বেশ কিছু করণীয়র কথা বলা হয়েছে।

সম্পর্ক মূল্যায়ণ করুন:

প্রথমে এটা ভেবে দেখতে হবে, সত্যিই কি এই সম্পর্কটা নিজের কাছে আগের জায়গাতেই আছে? নাকি, সত্যিই সেটা ভেঙে দেওয়ার সময় এসেছে। ভালো করে ভেবে এই প্রশ্নের উত্তর নিজেকেই দিতে হবে। যদি সত্যিই আপনার সম্পর্ক আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে আর কোনো রকমের আনন্দ না দেয়, তার মানে সেই সম্পর্ক এবার সত্যিই শেষ হওয়া দরকার।

ভেবে সম্পর্কে জড়ান:

ব্রেক আপ থেকে বাঁচার সব থেকে ভালো উপায়, যার সঙ্গে আদৌ আপনার কোনো সম্পর্ক তৈরি হওয়া সম্ভব নয়, তেমন কারও সঙ্গে গভীর সম্পর্কে না যাওয়া। যদি ভালো করে না ভেবে কোনো সম্পর্কে চটজলদি চলে যাওয়া হয়, তাহলে কিছু দিন যেতে না যেতেই সেই সম্পর্কের ভেতরকার অন্তঃসারশূন্যতা প্রকট হয়ে উঠবে।

সচেতন থাকুন:

প্রেম যদি দীর্ঘকালীন হয়, তাহলে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে কখনো অজ্ঞাতসারে যাতে কোনো সমস্যা আপনাদের সম্পর্কে ফাটল তৈরি করতে না পারে। এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। শুরুতেই যদি সেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, তবে অনায়াসেই তা থেকে বড় অঘটনের সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়া যায়।

সঙ্গীকে সম্মান করুন:

সঙ্গীকে সম্মান করতে হবে। আপনাকে সম্মান করছে কি না সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই দুজনকে দুজনার প্রয়োজনীয় স্পেস দেওয়া উচিত। যদি তা সত্ত্বেও সম্পর্ক ভালো না হয়, তাহলেও চিন্তার কোনো কারণ নেই। শেষ বারের মতো চেষ্টা করতেই পারেন। এক্ষেত্রে সঙ্গীর সঙ্গে লম্বা কথাবার্তা চালাতে হবে। যদি সেও সমান মরিয়া হয় সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে, তাহলে সমাধানের সূত্র বেরিয়ে আসবেই।

নিজেকে সামলানোর কৌশল ভাবুন:

প্রেমে পড়ার সময় থেকেই একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেকোনো সম্পর্ক, তা যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন, মাথায় রাখতে হবে তা ভেঙে যেতেই পারে। তবে অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে তা টিকিয়ে রাখতে। কিন্তু যদি তা না টেকে, তাহলে ভেবে রাখতে হবে সত্যিই সম্পর্ক ভেঙে গেলে নিজেকে কীভাবে সামলানো যায়। তাহলে ব্রেক আপ হয়ে গেলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না। কষ্ট হবে কিন্তু তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবেই।