পুলিশ প্রশাসনকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করে তোলছেন অতিঃ পুলিশ সুপার মামুন

আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকে
পুলিশ প্রশাসনকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করে তোলতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন জেলা পুলিশের মেধাবী, চৌকস ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার হিসাবে অর্থ ও প্রশাসন শাখায় তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ প্রশাসনকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করে তুলতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশ বিভাগের অর্থ ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার মূল লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রশাসনকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার জন্য কাজ করে চলেছেন, যার মধ্যে রয়েছে স্বচ্ছতা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জনমুখী সেবা প্রদান। তার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং কর্মনিষ্ঠা কাজে লাগিয়ে প্রশাসনিক কাজকে দ্রুততর এবং আরও স্বচ্ছ করতে সচেষ্ট রয়েছেন। এর পাশাপাশি, তিনি অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখছেন। এছাড়াও বিচারকার্যে সহায়তা এবং ট্র্যাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রেখে অল্ল কয়েকদিনেই ময়মনসিংহবাসীর নজর কেড়েছেন। ইতিমধ্যই তিনি প্রশাসনিক কাজগুলোকে আরও গতিশীল এবং স্বচ্ছ করার জন্য কাজ করে পুলিশি সেবার মান উন্নত করে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে এবং তাদের কাছে পুলিশি সেবা আরও সহজলভ্য করে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে তিনি অপরাধের তদন্ত, অপরাধী চিহ্নিতকরণ এবং তাদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করাসহ সুষ্ঠু বিচারকার্য সম্পাদনের জন্য তিনি প্রসিকিউশন বিভাগের সাথে সমন্বয় করে এবং আদালতের কাছে পুলিশ রিপোর্ট দাখিলের ব্যবস্থা করে অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে ভূমিকা রাখছেন। তার মেধাবী কর্মপন্থায় নগরীর ট্র্যাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখছেন এবং ট্র্যাফিক প্রসিকিউশন সংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত তদারকি করতে কাজ করে সুনাম অর্জনে সক্ষম হয়েছেন।

জেলা পুলিশ সুপার আখতার উল আলম এর নেতৃত্বে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশকে একটি আদর্শ ও সেবামুখী বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি বদ্ধপরিকর।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “আমি আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। পুলিশের মূল কাজ জনগণের সেবা-সেই কাজটি যেন আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে করা যায়, সেটিই আমার লক্ষ্য।

দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি, পেশাদারিত্ব ও নেতৃত্বগুণ ইতোমধ্যে সহকর্মী ও অধস্তন কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশংসিত হচ্ছেন।

পূর্বের খবরময়মনসিংহ সদরে মোবাইল কল – এসএমএস এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিং
পরবর্তি খবরজাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: ত্রিশালে জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ