ময়মনসিংহ সদরে মোবাইল কল – এসএমএস এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিং

স্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহ সদরে মোবাইল কল/ এসএমএস এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিং করছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। এই ব্যবস্থাপনা সফল করে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সকল শিক্ষককে যথা সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন।

সুত্র জানিয়েছে- চিহ্নিত সমস্যা এবং প্রস্তাবিত সমাধান
শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারনে প্রাথমিক স্তরে ছাত্র-ছাত্রী ঝড়ে পড়া রোধসহ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিত থাকলে তাৎক্ষনিকভাবে অভিভাবকদেরকে না জানানোর কারণে অভিভাবকেরা অনেক সময় সন্তানের স্কুলে উপস্থিতির বিষয়ে অসচেতন থাকে। অন্যদিকে ‍শিক্ষক উপস্থিত না থাকায় অনেক সময় শ্রেণী কক্ষে যথাযথভাবে পাঠদান সম্ভব হয় না। এতে ছাত্র-ছাত্রী পরবর্তীতে স্কুলে উপস্থিত হওয়ার বিষয়ে অনাগ্রহী হয়ে পড়ে।

হাজিরা খাতা বিশ্লেষণ করে শ্রেণী শিক্ষক প্রধান শিক্ষককে তথ্য দিবেন । অতঃপর প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের মোবাইল ফোনে এস এম এস/ কল দিয়ে জানাবেন । একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষক মোট শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির তথ্য সংবলিত এস এম এস/ই-মেইল UEO ও UNO বরাবর পাঠাবেন । এ কাজে প্রয়োজনীয় মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করা যাবে । মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষক উপস্থিতির নিয়মিত তথ্য জানা এবং কাস্টমাইজড অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে প্রতি কর্মদিবসের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে ছাত্র-শিক্ষক উপস্থিতি মনিটরিং বাস্তবায়ন করে উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রাথমিক স্কুলে লেখাপড়া সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে হচ্ছে কিনা সেটি দেখার জন্য প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ‘মনিটরিং সেল’ গঠন করা হয়েছে। অনেক স্কুলে সার্ভার দেওয়া আছে। শিক্ষকরা অনলাইনে কানেক্ট থাকতে পারেন। প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার জন্য যে সকল শিক্ষকরা ভালো করবে তাদেরকে পুরস্কৃত এবং যারা খারাপ করবে তাদেরকে তিরস্কার এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য পঞ্চম শ্রেণির পাশ করে একজন শিক্ষার্থী যেন বাংলা ভালোমতো বুঝে পড়তে পারে, লিখতে পারে, অংক যোগ বিয়োগ গুন ভাগ ভালো মতো করতে পারে। সেই লক্ষ্যে শিক্ষকগণকে সচেতন থাকতে হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে ঝরে পড়ে না যায় সে বিষয়টিও খেয়াল রাখতে হবে। প্রাথমিকে অনেক শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে তার কারণ হলো মানুষের পারসেপশন হলো সরকারি প্রাথমিক স্কুলে পড়ালেখা হয় না। সে কারণে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ঝড়ে পড়া প্রতিরোধে আমরা শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষাকদের খোজ নিতে শিক্ষরা বিদ্যালয়ের কয়টায় উপস্থিত হন আবার কয়টায় বিদ্যালয় ত্যাগ করেন সে বিষয়ে খোজ খবর নিতে মোবাইল মনিটরিং এর চালু করেছি।

পূর্বের খবরবিএনপির গণসংযোগে গুলি : সরোয়ার হত্যার ২ আসামি গ্রেপ্তার
পরবর্তি খবরপুলিশ প্রশাসনকে আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করে তোলছেন অতিঃ পুলিশ সুপার মামুন