১৩ মাসে হরিণ – ময়ূর বিক্রি করে আয় কোটি টাকার উপরে

88

অনলাইন ডেস্ক : প্রাণীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে হরিণ ও ময়ূর বিক্রি শুরু করে জাতীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ মাসে এক কোটি ১০ লাখ টাকা হরিণ ও ২৪ লাখ টাকার ময়ূর বিক্রি করেছে কর্তৃপক্ষ।

প্রথমে হরিণের দাম হাঁকা হয় এক লাখ ৪০ হাজার টাকা। পরে তা এক লাখ করা হয়। সবমিলিয়ে খামারি ও রিসোর্ট মালিকদের কাছে দেড় শতাধিক হরিণ ও ৭০টি ময়ূর বিক্রি করা হয়।

তবে এবার হরিণ-ময়ূর বাইরে বিক্রি না করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন চিড়িয়াখানার সঙ্গে বিনিময়ের চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ডা. মো. আব্দুল লতিফ।

তিনি বলেন, ‘চিড়িয়াখানা তো প্রজনন কেন্দ্র নয়। বিক্রি করাও আমাদের লক্ষ্য নয়। হরিণের সংখ্যা অতিরিক্ত হয়ে গিয়েছিল। সংস্থানের ব্যবস্থা, ব্যবস্থাপনা, খাদ্যের বাজেট সবকিছু মিলিয়ে অতিরিক্ত যেগুলো, তা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে।’

আব্দুল লতিফ বলেন, ‘হরিণ ও ময়ূর কেনার প্রচুর আবেদন পাচ্ছি। তবে ময়ূর বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছি। স্টকের ওপর নির্ভর করে আগামীতে হয়তো আবার বিক্রি করার চিন্তা-ভাবনা করবো। এখন যা ময়ূর আছে, সেগুলো চিড়িয়াখানায় লাগবে। প্রজনন বাড়লে তখন হয়তো বিক্রি করবো।’- বাংলা