হাবিব-রহিমা দম্পতির পাশে বসুন্ধরা গ্রুপ

68

হাবিবুর রহমান পেশায় ছিলেন দরিদ্র রিকশাচালক। পাঁচ সন্তানের সংসারে বার্ধক্যের কারণে এখন আর রিকশা চালাতে পারেন না তিনি। এক ছেলে পত্রিকা বিলি করে যা আয় করেন তা দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট। স্ত্রী রহিমা আর কলেজপড়ুয়া মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস লিমা সংসার চালাতে শিখে নেন সেলাইয়ের কাজ।

অসহায় এই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ।

১৬ এপ্রিল শনিবার বসুন্ধরা গ্রপের সহায়তায় হাবিব-রহিমা দম্পতির হাতে সেলাই মেশিন তুলে দিয়েছে শুভসংঘ। এ সময় প্রধান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান।

উপজেলা শুভসংঘের সভাপতি ফাতেহ আলশ শিশিরের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ত্রিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান সবুজ, ত্রিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ত্রিশাল বার্তার সম্পাদক-প্রকাশক শামীম আজাদ আনোয়ার, ত্রিশাল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি খোরশিদুল আলম মজিব, ত্রিশাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম শামীম, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের সভাপতি রেজাউল করিম বাদল, ত্রিশাল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম জোবায়ের হোসেন, সাহিত্য সম্পাদক ফয়জুর রহমান ফরহাদ, প্রচার সম্পাদক মামুনুর রশীদসহ শুভসংঘের বন্ধুরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আক্তারুজ্জামান সরকারের পাশাপাশি অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ধনীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বসুন্ধরা গ্রুপের এই উদ্যোগ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলেও জানান তিনি।

বৃদ্ধ রহিমা খাতুন বলেন, ‘সেলাই মেশিন পেয়ে আমার জন্য অনেক উপকার হয়েছে। আমি ও আমার মেয়ে এই সেলাই মেশিন দিয়ে আয়-রোজগার করে সংসার চালাতে পারব। ‘