হলিউডের সিনেমায় কাদম্বরী হবেন ঐশ্বরিয়া রায়

148

বিনোদন ডেস্ক : ঐশ্বরিয়া রাই। জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় অভিনেত্রী এবং প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী। ১৯৯৪ সালে বিশ্ব সুন্দরী খেতাব অর্জন করার পর ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেন তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দিয়েছেন একের পর হিট সিনেমা।

অ্যাশ ভারতীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম সুন্দরী এবং গ্ল্যামারার্স অভিনেত্রী। তবে দীর্ঘদিন ধরে গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন তিনি। তার ভক্তরা তাকে বড় পর্দায় ফিরে দেখার জন্য অনেক লম্বা সময় ধরে অপেক্ষা করছেন।

সেই অপেক্ষার প্রহর এবার শেষ হতে চলেছে। রয়েছে সুখবর। জানা গেছে, ঐশ্বরিয়া তার নতুন আন্তর্জাতিক প্রকল্পে স্বাক্ষর করেছেন যা হলিউডেও মুক্তি পাবে। এর আগে ঐশ্বরিয়া ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস ( ২০০৪) এর মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, তার আসন্ন কাজটি ইন্দো-আমেরিকান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বই ‘থ্রি উইমেন’ অবলম্বনে। ছবিটি পরিচালনা করবেন ঈশিতা গাঙ্গুলী। এ সিনেমার মধ্য দিয়ে থিয়েটার লেখক এবং ফিউশন গায়ক ঈশিতা গাঙ্গুলী পরিচালকের খাতায় নাম লেখাবেন।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে একটি শীর্ষস্থানীয় নিউজ ওয়েবসাইটকে ঈশিতা বলেন, ‘ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন। এর নাম ‘থ্রি উইমেন’ হলেও আমরা নাম পরিবর্তন করেছি। আমাদের ছবির নাম ‘দ্য লেটার’।

সিনেমাটি কাদম্বরী দেবীর চিঠিকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। যিনি ছিলেন ঠাকুরের বউদি। আমি সত্যিই আনন্দিত যে ঐশ্বরিয়া স্ক্রিপ্টটি পছন্দ করেছেন এবং আমার পরিচালনায় কাজ করতে রাজি হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যে মিউজিক্যাল থিয়েটারটি পরিচালনা করেছি তা নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ‘বিমলা’ এবং ‘চারু’র দুই প্রধান চরিত্রের বিবর্তনের উপর নির্মিত হয়েছিল। তাদের জীবন ২১ শতকের কাদম্বরী দেবীর চোখের মাধ্যমে দেখা হয়।

সিনেমার জন্য গল্পটিকে আধুনিক সময়ের প্রেক্ষাপটে রূপান্তরিত করেছি এবং মা-মেয়ের গল্পে পরিণত করেছি।’

ঈশিতা গাঙ্গুলী আরও জানান, তিনি সিনেমাটি হিন্দিতে তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ইচ্ছেতে ইন্দো-আমেরিকান হিসেবে সিনেমাটি বানানোর সিদ্ধান্ত নেন।

ঐশ্বরিয়া এর আগেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘চোখের বালি’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন। তিনি এখানে ‘ বিনোদনী’ চরিত্রে অভিনয় করেন।

‘চোখের বালি ‘সেরা বাংলা সিনেমা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। সিনেমাটি ৩৪তম ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভাল অফ ইন্ডিয়া’-তে প্রদর্শিত হয়।