স্যাটেলাইটের আড়ালে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ইরানের : যুক্তরাষ্ট্র

স্যাটেলাইটের আড়ালে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ইরানের দাবি যুক্তরাষ্ট্রর।
সোলাইমানি হত্যাকাণ্ডের পর নতুন করে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই মহাকাশে উন্নত প্রযুক্তির স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে তেহরান। রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় মরুভূমি এলাকা সেমনানের ইমাম খোমেনি স্পেস সেন্টার থেকে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ‘জাফর’ নামে অত্যাধুনিক এই স্যাটেলাইটটি কেবল শান্তিপূর্ণ কাজের জন্যই ব্যবহার করা হবে বলে দাবি তেহরানের। তবে হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র অভিযোগ করে বলেন, এবার স্যাটেলাইটের ছদ্মবেশে ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে ইরান।

কেননা এর মাধ্যমে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা গোপন করা সম্ভব বলেও দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের। যদিও আগে থেকেই বিষয়টিকে তেহরানের ‘উসকানিমূলক’ কর্মকাণ্ড বলে হুঁশিয়ারি দিচ্ছিল মার্কিন কর্মকর্তারা।

এ দিকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পরপরই নতুন মডেলের মাঝারি পাল্লার ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

এর আগে ইরানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ আজারি জাহরামি এক টুইট বার্তায় বলেছিলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে রবিবার রাতেই স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হবে।

টুইটার বার্তায় রিনি আরও বলেন, আমরা একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এই স্যাটেলাইটটির নাম ‘জাফর’। স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের সময় গণনা শুরু হয়েছে। মহান আল্লাহর নামে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এটি ৭ হাজার ৪০০ কিলোমিটার গতিতে উৎক্ষেপণ করা হবে।

উল্লেখ্য, ইরানের নতুন এই স্যাটেলাইটটি পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছানোর পর সর্বপ্রথম প্রয়াত জেনারেল কাসেম সোলাইমানির ছবি সম্প্রচার করবে বলেও জানিয়েছেন ইরানের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী।