স্বামীর গরম তেলে দগ্ধ সরিষাবাড়ির স্বর্ণা বেগমের মৃত্যু

7
মোটর সাইকেল

ষ্টাফ রিপোর্টার : স্বামীর গরম তেলে দগ্ধ সরিষাবাড়ির স্বর্ণা বেগমের মৃত্যু। জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা ইউনিয়মনের পিংনা এলাকার সেজনু মিয়ার স্ত্রী স্বর্ণা বেগম।

স্বামীর অত্যাচার আর যৌতুক দাবী করে নির্যাতন করে আসছিলো বিয়ার পর থেকেই। জানান নিহত স্বর্ণা বেগমের মা শিরিনা বেগম।

স্বর্ণা বেগম বাধ্য হয়ে সাভারের জিরানী এলাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। ঠিকানা সংগ্রহ করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর সেজনু সেখানে যায়। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সে স্ত্রীর শরীরে গরম তেল ঢেলে দেয়। রাতেই তাকে বাড়িতে এনে পরদিন সকালে তাকে সরিষাবাড়ী হাসপাতালে রেখে স্বামী সেজনু পালিয়ে যায়।

অবস্থার অবনতি হলে তাকে শেখ হাসিনা বার্ণ সার্জারী ইন্সটিটিউটে পাঠানো হয়।

পরে সেখানে ১৩দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়।

তারাকান্দি তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ জানান, ঘাতক স্বামীর বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।

ষ্টাফ রিপোর্টার : স্বামীর গরম তেলে দগ্ধ সরিষাবাড়ির স্বর্ণা বেগমের মৃত্যু। জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা ইউনিয়মনের পিংনা এলাকার সেজনু মিয়ার স্ত্রী স্বর্ণা বেগম।

স্বামীর অত্যাচার আর যৌতুক দাবী করে নির্যাতন করে আসছিলো বিয়ার পর থেকেই। জানান নিহত স্বর্ণা বেগমের মা শিরিনা বেগম।

স্বর্ণা বেগম বাধ্য হয়ে সাভারের জিরানী এলাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। ঠিকানা সংগ্রহ করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর সেজনু সেখানে যায়। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সে স্ত্রীর শরীরে গরম তেল ঢেলে দেয়। রাতেই তাকে বাড়িতে এনে পরদিন সকালে তাকে সরিষাবাড়ী হাসপাতালে রেখে স্বামী সেজনু পালিয়ে যায়।

অবস্থার অবনতি হলে তাকে শেখ হাসিনা বার্ণ সার্জারী ইন্সটিটিউটে পাঠানো হয়।

পরে সেখানে ১৩দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়।

তারাকান্দি তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ জানান, ঘাতক স্বামীর বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।

ষ্টাফ রিপোর্টার : স্বামীর গরম তেলে দগ্ধ সরিষাবাড়ির স্বর্ণা বেগমের মৃত্যু। জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা ইউনিয়মনের পিংনা এলাকার সেজনু মিয়ার স্ত্রী স্বর্ণা বেগম।

স্বামীর অত্যাচার আর যৌতুক দাবী করে নির্যাতন করে আসছিলো বিয়ার পর থেকেই। জানান নিহত স্বর্ণা বেগমের মা শিরিনা বেগম।

স্বর্ণা বেগম বাধ্য হয়ে সাভারের জিরানী এলাকায় গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। ঠিকানা সংগ্রহ করে গত ২৪ সেপ্টেম্বর সেজনু সেখানে যায়। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় সে স্ত্রীর শরীরে গরম তেল ঢেলে দেয়। রাতেই তাকে বাড়িতে এনে পরদিন সকালে তাকে সরিষাবাড়ী হাসপাতালে রেখে স্বামী সেজনু পালিয়ে যায়।

অবস্থার অবনতি হলে তাকে শেখ হাসিনা বার্ণ সার্জারী ইন্সটিটিউটে পাঠানো হয়।

পরে সেখানে ১৩দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যায়।

তারাকান্দি তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ জানান, ঘাতক স্বামীর বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।