সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

87

অনলাইন ডেস্ক : জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, কলাম লেখক এবং বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এদিন বিকেল ৪টা ৮ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার বয়স হয়েছিলো ৫৮ বছর।

এর আগে শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পীর হাবিবুর রহমান স্ট্রোক করলে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার, কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন পীর হাবিবুর রহমান। গত বছরের অক্টোবরে মুম্বাইয়ের জাসলুক হাসপাতালে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশনের মাধ্যমে ক্যানসার মুক্ত হন তিনি। গত ২২ জানুয়ারি তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর তিনি ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন। করোনামুক্ত হলেও কিডনি জটিলতার কারণে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যায় স্ট্রোক করলে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

পীর হাবিবুর রহমানের মরদেহ উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের ৯ নম্বর রোডের বাসায় নেয়া হবে। বাদ এশা উত্তরা চার নম্বর সেক্টরের পার্ক মসজিদে তার প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ রাখা হবে। বাদ জোহর জাতীয় প্রেসক্লাবে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পীর হাবিবুর রহমানের মরদেহ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নেয়া হবে। বিকেল ৩টায় তার মরদেহ প্রিয় কর্মস্থল বাংলাদেশ প্রতিদিন কার্যালয়ে নেয়া হবে।

সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় সুনামগঞ্জ পৌর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে তাঁর মরদেহ। বাদ যোহর সুনামগঞ্জ কেন্দ্রীয় মসজিদে এবং নিজ গ্রাম মাইজবাড়ীতে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে শায়িত করা হবে পীর হাবিবুর রহমানকে।