শর্ট সিলেবাসে হবে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পরীক্ষা

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছভুক্ত ৮টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ চলছে। আগামী ১৬ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে। তবে ভর্তি পরীক্ষা পূর্নাঙ্গ সিলেবাসে হতে চাইলেও, এই স্বীদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন সংশ্লিষ্ট কমিটি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গুচ্ছ কৃষি ভর্তির দায়িত্বে থাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা পূর্নাঙ্গ সিলেবাসের আলোকে হবে সেটি আগে নির্ধারণ করেছিল কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত কমিটি। তখন সমালোচনার জন্য সিলেবাসের কথা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। তবে নতুন মিটিং অনুসারে শর্ট সিলেবাসেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কেননা পরীক্ষার্থীরা এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে শর্ট সিলেবাসে, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থেই কমিটি স্বীদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে।’

জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই থেকে ভর্তি আবেদন শুরু হয়েছে। সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন করেছেন। এবার আবেদন সংখ্যা প্রায় এক লাখ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্যমতে, এ বছর ২০১৭/২০১৮/২০১৯ সালে এসএসসি/ সমমান এবং ২০২০/ ২০২১ সালে এইচএসসি/ সমমানের পরীক্ষায় যারা বিজ্ঞান বিভাগ হতে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয়সহ উত্তীর্ণ হয়েছেন, কেবলমাত্র তারাই এই ভর্তি আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর এসএসসি/ সমমান এবং এইচএসসি/ সমমানের পরীক্ষায় উভয় ক্ষেত্রে প্রতিটিতে চতুর্থ বিষয় ছাড়া ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ সহ সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮.৫০ থাকতে হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর (শনিবার) বেলা ১১:৩০ থেকে ১২:৩০ পর্যন্ত ৭টি কেন্দ্র ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এক বা একাধিক উপকেন্দ্রের অধীনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসি/ সমমান পর্যায়ে ইংরেজিতে ১০, প্রাণীবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থবিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ এবং গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১.০০ (এক) নম্বর প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সাথে এসএসসি/সমমানের জন্য ২৫ এবং এইচএসসি/সমমানের জন্য ২৫ নম্বর যোগ করে ফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা তৈরি করা হবে। ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং ভর্তি কমিটি যেকোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন ও পরিমার্জনের অধিকার রাখে।