শরীয়তপুরে সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু’র উদ্যোগে প্রতিনিয়ত চলছে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

রুপক চক্রবর্তী শরীয়তপুর :
সারা বিশ্বের বর্তমান সময়ের অতিপরিচিত নাম নভেল করোনা ভাইরাস, যার সংক্ষিপ্ত নাম হলো কোভিট-১৯। এ ভাইরাস বিশ্বের প্রায় ২শত দেশে আক্রমণ করেছে। করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যে আক্রমণ করেছে আমাদের বাংলাদেশ ও। করোনা ভাইরাস যাতে বাংলাদেশে মহামারী আকারে পরিনত না হতে পারে সেই কারনে বাংলাদেশ সরকার সকল কিছু বন্ধ করে দিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুরেও সবকিছু বন্ধ রয়েছে। সকল কিছু বন্ধ থাকার কারনে যে সকল মানুষ শ্রমজীবী, কর্মজীবী, খেটে খাওয়া মানুষ অথাৎ যারা দিন আনে দিন খায়, প্রতিদিনের খাবারের অর্থ প্রতিদিন উপার্জন করেন তারা খুবই সমস্যার মধ্যে দিয়ে দিন অতিবাহিত করছেন।

শরীয়তপুর জেলার সদর উপজেলা ও জাজিরা উপজেলায় যে সকল দিনমজুর বা শ্রমজীবী অথাৎ খেটে খাওয়া মানুষ করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকার কতৃক সকল কিছু বন্ধ ঘোষনা হওয়ার কারনে খাদ্য অভাবে রয়েছেন তাদের খাদ্যের যাতে কোন অভাব না হয়, কোন মানুষ যাতে অনাহারে না থাকে সেই লক্ষে প্রতিনিয়ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে চলেছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। ইতিমধ্যে সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব সুলতান হোসেন মিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও জাজিরা উপজেলায় প্রায় ৩৫০০ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

গত কয়েকদিন যাবৎ শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু’র নির্দেশে শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ও জাজিরা উপজেলায় আলহাজ্ব সুলতান হোসেন মিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে কয়েক হাজার মানুষের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। স্বর্নের দোকানের কর্মচারী, নরসুন্দর, বেদে পল্লী সহ অসংখ্য অসহায় পরিবারের বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিতে দেখা গিয়েছে। খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করার এ কর্মসূচি চলমান রয়েছে।

এছাড়াও সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু’র উদ্যোগে সরকার কতৃক নির্দেশিত সতর্কতা মূলক নির্দেশনা জনগনের কাছে কাছে তুলে ধরে তাদের সচেতন করতে শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও জাজিরা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে, রাস্তা-ঘাটে, বাজারে, কোর্ট এড়িয়া সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে সতর্কতা মূলক লিফলেট বিতরণ সহ জীবানুনাশক স্প্রে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

স্থানীয় সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু’র নির্দেশে সরকার কতৃক প্রদত্ত সচেতনা মূলক নির্দেশনা মানুষের কাছে তুলে ধরা, কয়েকদিন যাবৎ জীবানুনাশক স্প্রে কার্যক্রম ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, সাবান, মাক্স বিতরন করে চলেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ
জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান উজ্জ্বল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও শরীয়তপুর জজ কোর্টের জিপি এডভোকেট আলমগীর মুন্সি, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা সহ শরীয়তপুর জেলা শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ শরীয়তপুর সদর উপজেলা শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ শরীয়তপুর সদর পৌরসভা শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ জেলা শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ শরীয়তপুর জেলা শাখা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শরীয়তপুর জেলা শাখা, আওয়ামী যুবলীগ শরীয়তপুর সদর উপজেলা শাখা, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ শরীয়তপুর সদর উপজেলা শাখা, শরীয়তপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগ, জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগ, শরীয়তপুর পৌরসভা যুবলীগ, শরীয়তপুর পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শরীয়তপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, শরীয়তপুর সদর পৌরসভা ছাত্রলীগ, জাজিরা পৌরসভা ছাত্রলীগ, জাজিরা কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোর সন্ধানে আমরা, শরীয়তপুর উত্তরণ ক্লাব, রাড়িপাড়া রাশিদা-রাজ্জাক তরুণ সংসদ, আলোকিত বিলাশপুর সহ আরো বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু বলেন, সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে এ ভাইরাস বাংলাদেশ ও আঘাত করেছে। এ কারনে যারা দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ তাদের খুবই সমস্যা হচ্ছে। এ সমস্ত মানুষের কোন জমানো টাকা থাকে না। এ বন্ধের কারনে তাদের খাদ্যের অভাব যেন না হয়, কেউ যেন অনাহারে না থাকে সেই লক্ষে আমি দরিদ্র পরিবারের পাশে দাড়ানোর উদ্দেশ্য আমার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব সুলতান হোসেন মিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আমার নির্বাচনি এলাকা শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও জাজিরা উপজেলায় প্রায় ৩৫০০ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এছাড়াও শরীয়তপুর সদরে এবং জাজিরায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করতে বলেছি এবং তারা খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে চলেছেন। ইতিমধ্যে শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলায় কয়েক হাজার হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এমনকি বেদে পল্লী সহ অসংখ্য অসহায় পরিবারের বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত খেটে খাওয়া মানুষগুলো উপার্জন করে খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করতে না পারবে ততদিন আমরা খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিবো। পালং জাজিরা উপজেলায় আল্লাহর রহমতে আমি বেচে থাকতে একটি পরিবার ও না খেয়ে থাকবে না।