শরীয়তপুরে সাংবাদিককে লাঞ্চিত করার ঘটনায় প্রতিবাদ

রুপক চক্রবর্তী শরীয়তপুর প্রতিনিধি॥
শরীয়তপুর অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের (সোজা) উপদেষ্টা ও ডিবিসি টেলিভিশনের শরীয়তপুর প্রতিনিধি বিএম ইশ্রাফিলকে লাঞ্চিত করে পরিবহন শ্রমিকরা । এর প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা করেছে শরীয়তপুর অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন (সোজা) ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) নামে দুইটি সাংবাদিক সংগঠন। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শরীয়তপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ প্রতিবাদ সভা করা হয়।

এ সময় জেলার প্রবীণ সাংবাদিক যায়যায়দিন পত্রিকার শরীয়তপুর প্রতিনিধি কাজী নজরুল ইসলাম, চ্যানেল আই প্রতিনিধি এসএম মজিবর রহমান, শরীয়তপুর অনলাইন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন (সোজা) সভাপতি শরীয়তপুরজার্নালের সম্পাদক অ্যাড. মুরাদ হোসেন মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক জাগোনিউজ২৪.কম ও দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রতিনিধি মো. ছগির হোসেন, সহসভাপতি দৈনিক বর্তমানের খোরশেদ আলম বাবুল, দীপ্ত টেলিভিশন ও বাংলাদেশ পোস্ট প্রতিনিধি রাজিব হোসেন রাজন, বিএমএসএফ’র জেলা শাখার সভাপতি এম.এ ওয়াদুদ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ডিবিসির নিউজের বি.এম ইশ্রাফিল, ভোরের পাতার জামাল মল্লিক, সোজা’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রয়েল টিভির সোহাগ খান সুজন, বাংলানিউজ২৪.কমের বেলাল হোসাইন, সহসাংগঠনিক মানবাধিকার প্রতিদিনের সমীর চন্দ্র শীল, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শরীয়তপুরজার্নালের সুপ্তা চৌধুরী, সদস্য সময়ের আলো মিজানুর রহমান, শরীয়তপুরজার্নালের আব্দুল মোতালেব সুমন, ঢাকার ডাকের আব্দুর রশিদ, ভোরেরসূর্য প্রতিনিধি বারেক ভূইয়া প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, সিএনজি ভাঙচুরের ছবি ধারণ করার সময় আন্ত:জেলা বাস ও মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক চৌকিদারের নেতৃত্বে পরিবহন শ্রমিকরা ডিবিসি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি বিএম ইশ্রাফিলের ক্যামেরা, মোবাইল ভাংচুর করে এবং তার ওপর হামলা করে। ওই হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচার দাবী করছি। তা না হলে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

প্রসঙ্গত, শরীয়তপুর পৌর শহরের ব্যবসায়ী রুবেল খান শহরের কোর্ট বাজারে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকসা বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন হচ্ছে এমন খবর পেয়ে বাস শ্রমিকরা বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ওই বিক্রয় কেন্দ্রে হামলা চালায়। ৮টি সিএনজি চালিত অটোরিকসা ভাংচুর করা হয়। এ সময় ভাংচুরের ছবি ধারণ করার সময় শ্রমিকরা সাংবাদিক বিএম ইশ্রাফিলের ক্যামেরা, মোবাইল ভাংচুর করে এবং তার ওপর হামলা করে। পরে রাতে আন্ত:জেলা বাস ও মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক চৌকিদারসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ইশ্রাফিল।