‘লাইসেন্স ছাড়া কেউ ধান-চালের ব্যবসা করতে পারবে না’

81

অনলাইন ডেস্ক : বিনা লাইসেন্সে কেউ ধান-চালের ব্যবসা করতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
মজুত থাকা পণ্য একযোগে বাজারে ছাড়তে হবে উল্লেখ চাল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘রক্তচোষার মত মজুত করা পণ্য ধীরে ধীরে বাজারজাত করবেন না। এসব করলে চাল আমদানি করতে হবে। এতে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ সোমবার সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মিলার, ব্যবসায়ী ও বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অবৈধ মজুতদারি রোধে করণীয় ও বাজার তদারকি সংক্রান্ত বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা যারা জনপ্রতিনিধি তারা ধান-চালের ব্যবসা করিনা। প্রশাসনের কেউ চাল অথবা ধান কেনে না। তাহলে কারা করে মজুত? আপনারাই ধান চাল কেনেন। মজুতদারদের চিনিয়ে দিন। একটু সহযোগিতা করেন। তাহলে আপনারা, আমরা ও জনগণ সবাই বেঁচে যাই।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাগমারা উপজেলা চেয়ারম্যান অনিল সরকার বলেন, ‘একেক দোকানে একেক রকম দাম। চাল কিনতে আমি হিমশিম খাচ্ছি।’

তবে চালের বড় বড় ব্যবসায়ী ও মিলাররা দাবি করেন, তারা ধান বা চালের কোনও মজুতদারি করেননি। তারা বলেন, ধান-চালের ব্যবসা করার লাইসেন্স নাই এমন ব্যক্তিরা ধান-চাল কিনে মজুত করে রেখেছেন। মিলারদের কাছে যেসব ধান আছে তা একবারে বাজারে ছাড়লে তা আগামী মৌসুম আসার (আড়াই মাস) আগেই শেষ হয়ে যাবে। চালের দাম মিল থেকে বাড়েনি। মধ্যস্বত্ত্বভোগী ও আড়ৎদাররা দাম বাড়ায়। এজন্য মনিটরিং করতে হবে।
বিভাগীয় কমিশনার জিএসএম জাফরউল্লাহ এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমানারা খানম, মহাপরিচালক শাখাওয়াত হোসেন, রাজশাহী-৩ আসনের সাংসদ আয়েন উদ্দীন, বিভিন্ন মিলার ও ব্যবসায়ীরা।