লকডাউন মেনে ঘরে থাকতে জনগনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু

রুপক চক্রবর্তী শরীয়তপুর :
নভেল করোনা ভাইরাস যার সংক্ষিপ্ত নাম কোভিট-১৯। এই নামটি বর্তমানে সারাবিশ্বে অতিব পরিচিত একটি নাম। বর্তমানে সারাবিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসের আক্রমণে আক্রান্ত। এ ভাইরাসের ভয়াস গ্রাসে ধমকে গিয়েছে গোটা বিশ্ব। এ ভাইরাসের আক্রমণ হতে বাংলাদেশও বাদ পরে নি। তারই ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুর জেলা সহ সারা দেশে করোনা ভাইরাস আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ভাইরাসের আক্রমণ হতে জনগণকে বাচতে হলে ঘরে অবস্থান করতে হবে। সেই লক্ষ্যেই বাংলাদেশের অনেক জেলা লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শরীয়তপুর জেলাকে লকডাউন করা হয়েছে। শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও জাজিরা উপজেলা সহ শরীয়তপুর জেলার সর্বস্তরের জনগণকে জেলা প্রশাসন কতৃত ঘোষিত লকডাউন মেনে যার যার বাড়িতে অবস্থান করবার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু।

প্রতিবেদকের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু বলেন, সারাবিশ্ব বর্তমানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এ ভাইরাস বাংলাদেশও আঘাত করেছে। এ ভাইরাস যেহেতু এক দেহ থেকে অন্য দেহে সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তাই আমাদের সকলের যার যার বাড়িতে অবস্থান করতে হবে। বাহিরে ঘোরাফেরা করা যাবে না। ইতিমধ্যে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকার কতৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের যে যে জেলা, উপজেলা গুলোতে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বেশি সেই সেই জেলা, উপজেলা গুলো স্থানীয় প্রশাসন কতৃক লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। আপনারা জানেন শরীয়তপুর জেলাকে ইতিমধ্যে লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। আমি শরীয়তপুর সদর উপজেলা ও জাজিরা উপজেলা সহ সমগ্র শরীয়তপুর জেলার সর্বস্তরের জনগনের প্রতি অনুরোধ করে বলছি দয়াকরে আপনারা ঘরে থাকুন। আপনি ঘরে থাকলে আপনি সুস্থ থাকবেন, আপনার পরিবার সুস্থ থাকবে, আপনার সমাজ সুস্থ থাকবে তাহলেই আমাদের বাংলাদেশ ভাল থাকবে। আমাদের করোনার ভয়াল গ্রাস হতে বাঁচতে হলে ঘরে থাকা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার রহমতে এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বেচে থাকতে বাংলাদেশের জনগন না খেয়ে মরবে না।
এসময় সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু সমাজের বৃত্তবান দের জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করেন।

উল্লেখ যে, শরীয়তপুর জেলায় ইতিমধ্যে ৭জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে নড়িয়া উপজেলার একজন বৃদ্ধ ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছে। এছাড়া বাকি ছয়জনের মধ্যে শরীয়তপুর সদরে একই পরিবারের ৩জন, জাজিরা উপজেলার ২জন এবং ডামুড্যা উপজেলায় ১ জন। এরা ছয় জনই সম্প্রতি করোনা ভাইরাস সংক্রমিত জেলায় ভ্রমন করেছে। গত ১৫ই এপ্রিল জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষে গঠিত শরীয়তপুর জেলা কমিটি সভা হয়। উক্ত সভায় সিন্ধান্ত হয় যে প্রানঘাতী করোনা ভাইরাস ( কোভিট-১৯) এর সংক্রমণ ঝুকি ও বিস্তার প্রতিরোধে শরীয়তপুর জেলাকে পরবর্তী ঘোষনা না দেয়া পর্যন্ত সম্পুর্ণ জেলা লকডাউন থাকবে।