রকিব ওয়েলফেয়ারের ঘর পেল অসহায় আলমগীর দম্পতি

140

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :
কখনো রিক্সার প্যাডেল আবার কখনো দিন মুজুরের কাজ করে কোন প্রকার জীবিকা নির্বাহ করছিল আলমগীর হোসেন। থাকার ঘরটিও ছিল পলিথিন মোড়ানো, বর্ষা মৌসুমে এক রকম নির্ঘুম রাত চলতো পরিবারটির। অর্থের সংকটে থাকায় ঘরটিও করতে পারছিলনা মেরামত। অনেকের কাছে সাহায্য চেয়েও পায়নি তেমন কিছু। অবশেষে দ্বারস্ত হন ত্রিশালের সেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠন রকিব ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডশনের।
বিষয়টি জানার পর রকিব ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডশনের সমন্বয়ক মো. মিনহাজ অন্যান্য সদস্যদের সাথে আলোচনা করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি টিনশেট ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
বলছিলাম ময়মনসিংহের ত্রিশাল পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডের উজানপাড়া গ্রামের দিনমুজুর অসহায় আলমগীর হোসেনের কথা।
চলতি মাসের প্রথম দিকে ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্বয়ক মো. মিনহাজ ঘরটি নির্মাণ ও সার্বিক তদারকির জন্য দায়িত্ব প্রদান করেন ফাউন্ডেশনের সদস্য মানিক আচার্য্যকে। গত শনিবার ঘরটির নির্মাণ কাজ হয়।
রোববার সকালে সহায় সম্বলহীন আলমগীর হোসেন ও তাঁর পরিবারের হাতে ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আমিনুল ইসলাম আমিন সরকার, মৌলভী মোঃ আবু তাহের, রকিব ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্বয়ক মো. মিনহাজ, ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মনোয়ার হোসেন, ত্রিশাল রির্পোটার্স ইউনিটির সভাপতি এইচ.এম জোবায়ের হোসাইন, রকিব ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের সদস্য সোহান, বিরাজ, বিপ্লব, আমির হোসেন, মাহবুবুল আলম উজ্জল, মানিক আচার্য্য, সুজন আচার্য্য, মনোরঞ্জন সরকার, শরীফ, ঠিকাদার খাইরুল, লিটন পন্ডিত প্রম‚খ।
আলমগীর হোসনে জানান, দীর্ঘদিন যাবত থাকার ঘরের জন্য কষ্ট করে রাত যাপন করে আসছিলাম, এখন থেকে আর এমন কষ্ট হবে না। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজ করে কোন প্রকার জীবন যাপন করলেও একটি ঘর করা সম্ভব ছিলনা। রকিব ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের সকলের জন্য দোয়া করেন তিনি।
রকিব ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রধান সমন্বয়ক মো. মিনহাজ জানান, ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অসহায় দরিদ্র পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের আট নম্বর ঘরটি আজ হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সকল সদস্যরই রয়েছে অবদান। আগামীতে আমরা সমাজিক কর্মকান্ডে আরো এগিয়ে যেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। ফাউন্ডেশনের একশত ঘর নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে।