যে কারণে কাঁচা ছোলা খাবেন

অনলাইন ডেস্ক : ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা কমবেশি অনেকেই জানি। উচ্চমাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। তবে কাঁচা ছোলার ক্ষমতা রান্না ছোলার চেয়েও বেশি।
কোলেস্টেরল কমাতে
ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বেশির ভাগ পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ।

ডায়াবেটিসে উপকারী
১০০ গ্রাম ছোলায় আছে ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এ ছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয়, যে অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার খান, তাদের হাইপারটেনশনের প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভালো পরিমাণ ফলিক অ্যাসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এ ছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভালো রাখতেও সাহায্য করে।
মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে
ছোলায় ভিটামিন ‘বি’ আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ কমায় মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা।
ক্যানসার রোধে
কোরিয়ান গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে, বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সঙ্গে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যানসার এবং রেক্টাল ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে নিজেদের মুক্ত রাখতে পারেন। তাই নিয়মিত ছোলা খেলে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কমে।