ময়মনসিংহে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা,গ্রেপ্তার দুই

ফারুক আহমেদ :
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে অপহরণের পর নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ৫ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার মাইজহাটি গ্রামের আবুল কালামের ছেলে আতাউর রহমান ওরফে আলতু (২৮) ও তার সহযোগী রমজান আলী (২৯)।
শুক্রবার (১ জানুয়ারী) রাতে অভিযান চালিয়ে চট্রগ্রামের হালিশহর এলাকার একটি বাসা থেকে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় আতাউর রহমান আলতুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার (২ জানুয়ারী) দুপুরে ওই ছাত্রীর বাবা ওই দুইজনকে আসামি করে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন।
পুলিশ জানায়, গত ২৬ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী তার খালার বাড়িতে বেড়াতে যায়। কিন্তু খালার বাড়িতে না যাওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নেওয়া হয়। তবে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এরপর ৩০ ডিসেম্বর ঈশ্বরগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন ওই ছাত্রীর বাবা।
সাধারণ ডায়েরীতে উল্লেখ করা হয়, আগে থেকেই আলতু ওই ছাত্রীকে উত্যক্ত করত। ২৬ ডিসেম্বর ওই ছাত্রী খালার বাড়িতে যাওয়ার পথে আলতু তার দলবল নিয়ে ওই ছাত্রীকে পথ থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়।
পরে জিডির পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে ওই ছাত্রীকে নিয়ে আলতু চট্টগ্রামের হালিশহরে থাকে। পরে শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকেই আতাউর রহমান আলতুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে রমজানের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় রমজানকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কাদির মিয়া বলেন, সাধারণ ডায়েরী করার পর অভিযান চালিয়ে চট্রগ্রামের হালিশহর থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দুই জনকে আদালতের নির্দেশে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।