মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান: অবরোধের হুমকি বাইডেনের

মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের পর সেনাবাহিনী যেভাবে ক্ষমতা দখল করেছে তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
স্থানীয় সময় সোমবার বাইডেন বিবৃতিতে বলেন, ‘মিয়ানমার সেনবাহিনী যেভাবে ক্ষমতা দখল করেছে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলের এক সুরে প্রতিবাদ করা উচিত। কর্মকর্তা এবং মানবাধিকার কর্মীদের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে।’

২০২০ সালের ৮ নভেম্বর মিয়ানমারের সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক ভোট জালিয়াতি হয়েছে দাবি করে সোমবার নতুন সংসদ অধিবেশন স্থগিত করে সামরিক বাহিনী।
তবে গত সপ্তাহে সেনাবাহিনীর এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ইউনিয়ন নির্বাচন কমিশন।
পনেরো বছরের গৃহবন্দিত্বের অবসানের পর ২০১০ সালে মুক্তি পেয়েছিলেন অং সান সু চি, তার ১০ বছর কাটতে না কাটতেই আবারও বন্দি করা হল তাকে।
বাইডেন বলেছেন, ‘মিয়ানমার গণতন্ত্রের দিকে ধাবিত হওয়ায় কয়েক দশক ধরে তাদের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। আবার গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করা হলে অবরোধ ফেরানো হবে।’
‘যেখানে গণতন্ত্র আক্রমণের শিকার হবে, সেখানেই যুক্তরাষ্ট্র পাশে (গণতন্ত্রকামীদের) পাশে দাঁড়াবে।’
যুক্তরাষ্ট্র এভাবে মন্তব্য করলেও আশিয়ান অঞ্চলের কয়েকটি দেশ বিষয়টিকে মিয়ানমারের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে মন্তব্য করেছে।
আ-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সেনানিয়ন্ত্রিত টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় বলা হয়, এরই মধ্যে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ও সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে।
মিয়ানমারে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা প্রচারিত হয় সেনানিয়ন্ত্রিত এমডব্লিউডি টেলিভিশনে। প্রচারিত ভিডিও বার্তায় বলা হয়, গত বছরের ৮ নভেম্বর মিয়ানমারে অনেক দলের অংশগ্রহণে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে ব্যবহৃত ভোটার তালিকায় ব্যাপক অসামঞ্জস্য ছিল। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (ইউইসি) বিষয়টির মীমাংসা করতে ব্যর্থ হয়েছে।