ময়মনসিংহে র‍্যাবের অভিযানে অপহ্নত উদ্ধার,দুই অপহরণকারি আটক

139

ফারুক আহমেদ :
ময়মনসিংহে র‍্যাবের অভিযানে অপহ্নত উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় দুই অপহরণকারিকে আটক করেছে র‍্যাব।
শুক্রবার রাতে এক প্রেস বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানায় র‌্যাব—১৪।
র‌্যাব জানায়,বৃহস্পতিবার (২৪/০২/২০২২ ইং) ভিক্টিমের চাচা সোহরাব (৩৫), পিতা— মোশারফ হাওলাদার, সাং—ঘটবাড়িয়া, থানা— বরগুনাসদর, জেলা— বরগুনা, এ/পি—শম্ভুগঞ্জ, আলালপুর, হযরতমিয়ারবাড়ি, থানা—কোতোয়ালী, জেলা—ময়মনসিংহ অপহরণ সংক্রান্তে অধিনায়ক র‌্যাব—১৪, ময়মনসিংহ বরাবর একটি অভিযোগ দায়েরকরে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে র‌্যাব—১৪, ময়মনসিংহেরএকটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংগ্রহ করে। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাব কর্তৃক সংগৃহিত গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য—প্রযুক্তি সহায়তায় জানতে পারে যে, উক্ত অপহরণকারীরা ভিক্টিম— মিলনকে শেরপুর জেলার শেরপুর সদর থানাধীন জঙ্গলদি গ্রামে অপহরণকারীদের বসত বাড়ীর ভিতর নিয়ে অবস্থান করিতেছে। পরবতীর্তে র‌্যাব—১৪, ময়মনসিংহ এর উক্ত আভিযানিক দলটি অদ্য বৃহস্পতিবার (২৫/০২/২০২২ খ্রিঃ) ভোর অনুমান ০৫.২০ ঘটিকার সময় অভিযানপরিচালনা করে অপহরণকারীদের বসত বাড়ীর ভিতর পৌঁছাইলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল হইতে অপহরণকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করিলে অপহরণকারী ১। আরিফুলইসলাম (২২), ০২। মোঃমিলনমিয়া(২০) উভয়পিতা— জুলফিকার, সাং—জঙ্গলদি দক্ষিণপাড়া, থানা—শেরপুরসদর, জেলা—শেরপুরদ্বয়কে গ্রেফতার করে। এছাড়া আরেক অপহরণকারী সু—কৌশলে পালিয়ে যায়। পরবতীর্তে উক্ত ঘটনাস্থল হইতে র‌্যাব—১৪ আভিযানিক দলটি ভিক্টিম— মোঃমিলন (১৭), পিতা—মোঃজলিল,মাতা—মোছাঃহাফসা, সাং— ঘটবাড়িয়া, থানা— বরগুনাসদর, জেলা— বরগুনাকেউদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।

র‌্যাব আরো জানায় ,ভিক্টিমের চাচা ও ভিক্টিম বর্তমান ঠিকানা শম্ভুগঞ্জে বাংলালিংক টাওয়ারের সিভিল কাজ করে। কাজের সুবাদে অপহরণকারীদের সাথে তাদেরপূর্ব পরিচয়ছিলো। কাজ চলাকালীন অপহরণকারীদের সাথে ভিক্টিমের চাচার টাকাপয়সা লেনদেন এর বিষয়নিয়ে মনোমালিন্য হয়। মনোমালিন্যের জের ধরিয়া গত ২২/০২/২০২২ ইং তারিখ দুপুরঅনুমান ১৪.০০ ঘটিকার সময় ভিক্টিম— মিলনকে ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানাধীন শম্ভুগঞ্জ মোড়স্থ জনৈক হযরতআলীর সাউন্ডসিস্টেম এর দোকানের সামনে থেকে একটি সিএনজি যোগে তিন জন লোক এসে জোরপূর্বক টানা হেচড়া করে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিক্টিমের চাচা মোঃ সোহরাব ভিক্টিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরে কল দিলে মোবাইল ফোন বন্ধ পায়। এরপর একই তারিখ রাত অনুমান ২২.২৫ ঘটিকার সময় একটি অপরিচিত মোবাইল নম্বর হইতে ভিক্টিমের চাচার মোবাইল নম্বরে ফোন করিয়া বলে—“তোর ভাতিজাকে আমরা অপহরন করে নিয়ে এসেছি। যদি তাকে জীবিত দেখতে চাস তাহলে মুক্তিপণ ২,০০,০০০/—(দুইলক্ষ) টাকা দিতেহবে”। প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে অপহরণকারীরা স্বীকার করে যে, দুই লক্ষ টাকা পাওয়ার জন্য তারা অপহরণ করেছে।এই সমস্ত অপহরণকারীচক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে র‌্যাব—১৪ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরবিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগকার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।