ভারতে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৭

ভারতে করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২৮৮ জন। চিকিৎসা গ্রহণের পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩২৮ জন। আজ ৬ এপ্রিল সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভারতীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল জানিয়েছেন, তার দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৪২ শতাংশের বয়স ২১-৪০ বছরের মধ্যে। ০-২০ বছরের মধ্যে রয়েছে ৯ শতাংশ। ২১-৪০ বছরের মধ্যে ৪২ শতাংশ। ৪১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩৩ শতাংশ। ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে রয়েছে ১৭ শতাংশ মানুষ।
লব আগরওয়াল বলেন, এখন পর্যন্ত দিল্লির ‘মারকাজ নিজামুদ্দিনে’ তাবলিগ জামাতের সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে ১৭টি রাজ্যে।
তাবলিগের এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে মুসলিমবিদ্বেষ। ভারতে করোনা ছড়ানোর জন্য সরাসরি তাবলিগ কর্মীদের দায়ী করছে দেশটির উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো। মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস)-এর নেতা রাজ ঠাকরে বলেছেন, ‘আমার মতে এদের সোজা গুলি করে মারা উচিত। এমনকি এই অসভ্য লোকগুলোকে কোনও চিকিৎসা দেওয়াও উচিত নয়!’
ওই ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্য জাফরিয়াব জিলানি বিবিসি-কে বলেন, ‘ভুল দুই তরফেই হয়েছে। ওই সমাবেশে যারা গিয়েছিলেন, তাদের উচিত ছিল নিজের থেকেই পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া এবং চিকিৎসকদের আর সরকারের পরামর্শ নেওয়া। কিন্তু উল্টো দিকে, সরকারই বা ব্যবস্থা নেয়নি কেন! সমাবেশটা তো হয়েছে যখন দেশে কোনো লকডাউন ছিল না, সেই সময়ে। তার পর যারা ফিরতে পারেনি, লকডাউনের ফলে তাদের জন্য তো সরকারের কোনো ব্যবস্থা নেওয়া দরকার ছিল।’