ভারতের উপকুলের বুলবুলের ক্ষয়ক্ষতি জানতে উড়বে ড্রোন

পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় জেলাগুলোয় ঘূর্ণিঝড় বুলবলের কতটা প্রভাব পড়েছে তা জানতে এবার আকাশে উড়বে ড্রোন। আর ক্ষয়ক্ষতি জানতে সাহায্য করবে কলকাতা পুলিশের বিশেষ ড্রোন ‘দুর্দান্ত’। আজ থেকেই ক্ষয়ক্ষতির ছবি তুলবে ড্রোন।

ড্রোনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ছবি সংগ্রহ করছেন সরকারি কর্মকর্তারা। কৃষি ও সেচ দপ্তরের কর্মকর্তারাও তৎপর রয়েছে। জেলা প্রশাসনগুলোর কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। আজও দিনভর খোলা রয়েছে নবান্নের কন্ট্রোল রুম। গতকাল সারারাত নবান্নের কন্ট্রোল রুমে উপস্থিত ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। নিজে উপস্থিত থেকে দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের দিকে প্রতি মুহূর্তে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

গতকাল রাতেই রাজ্যে ঢুকেছিল অতি শক্তশালী তকমা পাওয়া ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। ঘণ্টায় ১১৫-১২৫ কিলোমিটার বেগে বকখালির পূর্বদিকে আছড়ে পড়েছিল এই ঘূর্ণিঝড়। স্থলভাগে ঢোকার পরে এর গতি বেড়ে দাঁড়ায় ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার।

প্রবল ঝোড়ো বাতাসের দাপটে ভেঙে পড়ে বেশ কিছু কাঁচা বাড়ি। উপড়ে যায় গাছপালা। বিপুল ক্ষতি হয়েছে ধান ও শীতের সবজিতে। এছাড়া ঘোড়ামারা দ্বীপে কাঁচাবাড়ি ভেঙেছে, বেশ কয়েকটি জায়গায় গাছ উপড়ে গেছে।

ঝড়ের দাপটে পানের বরাজেও ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক। বুলবুলের দাপটে তছনছ মৌসুনি দ্বীপও। ঝড়ে কুলতলিতে বেশ কিছু কাঁচাবাড়ি ভেঙেছে, ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে ওলোটপালট হয়েছে বাসন্তী, ঝড়খালিও। অন্যদিকে নামখানায় হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীর ওপর দুটি জেটি ভেঙে গেছে।