ভাই তুমি ছাড়া কেউ তো কিছু দেনা, যুবলীগ নেতা রুমেলকে শিশু মারুফ

মাসুদ রানা, ময়মনসিংহ ১৮ মে :
ভাই তুমি ছাড়া আমাদের কেউ তো কিছু দেনা। আমি তোর বড় ভাই তাই দিতে হয়। তোর যখন কিছু প্রয়োজন হবে, তখন আমাকে বলবি, ইনশাল্লাহ ব্যবস্থা করে দিবো। এমন কথা শুনার পর মুক্ত মনে ভালবাসার হাসি ফুঠে উঠে শিশুটির মুখে।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে ঈদ উপহার সামগ্রী হাতে পেয়ে ছোট্ট মারুফ এমনভাবেই কথা গুলো বলছিলো ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের সদস্য আসাদুজ্জামান রুমেলের সঙ্গে।

জানা যায়, ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া ১৪ নং ওয়ার্ডের প্রাইমারী স্কুল রোডস্থ্য বউ বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন ফারুমসহ তার পরিবার। বাবা একজন হালিম বিক্রেতা। সে চরপাড়া মোড়ে ভ্যানগাড়ীতে করে ভাসমান ব্যবসা করতেন। কিন্তু করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু থেকে লকডাউনের জন্য ছোট হালিম ব্যবসাও বন্ধ রয়েছে। অভাবের সংসারে মারুফের বাবা একমাত্র ভরসা। তাই মারুফদের সংসার চলছে খুবই কষ্টে। তাই যুবলীগ নেতা রুমেলের কাছ থেকে ঈদ উপহার নিতে আসেন এই ছেলে। এই দুঃসময়ে ফারুফের মতো শতশত মানুষের ঘরে নিজস্ব তহবিল থেকে এ নেতার সহযোগিতায় পৌছে যাচ্ছে খাদ্য সহায়তা সামগ্রী। সেই সাথে নগদ টাকা। যুবলীগ নেতা রুমেল ব্যাক্তিগত ভাবে এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার নিম্নমধ্যবিত্ত ও অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার করেছেন। এ নেতার সহযোগিতা পেয়ে নগরী জুরে চলছে আলোচনার ঝঁড়। সেই সাথে যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও প্রশংসায় ভাষছেন রুমেল।

এবিষয়ে জেলা যুবলীগের সদস্য আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, আল্লাহর রহমতে করোনা দূর্যোগে মানুষের মুখে একটু হাসি ফুঠাতে তাদের পাশে থেকে সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। সততা যুব সংগঠন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান রয়েছে আমার। সেই সংগঠন থেকেও আমি সহযেগিতা করে যাচ্ছি। ওই সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরাও রাত-দিন অক্লান্ত প্ররিশ্রম করে মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য সহয়াতা পৌছে দিচ্ছেন। এসব মানুষকে সহযোগিতা করতে পেরে নিজেকে খুব ভাগ্যমান মনে হয়। কারন সবার ধন থাকলেও দান করার মন মানসিকতা নেই। এই দুঃসময়ে চরপাড়ার সকল ধনাঢ্য ব্যাক্তিরদের এগিয়ে আসা উচিৎ বলে মনে করছি। অনেকে নিরবে গরীবের জন্য সহায়তা নিয়ে এগিয়েও এসেছে। তবে প্রকাশ্যে সবাই যদি এগিয়ে আসে। তাহলে এলাকার কোন মানুষ না খেয়ে থাকবে না। আমার সামর্থ অনুযায়ী সারাজীবন অসহায় মানুষদের পাশে থেকে সহযোগিতা করে যাবো ইনশাল্লাহ।