ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে সাংসদ মাদানীর শোক

এইচ. এম জোবায়ের হোসাইন :
দেশের বিশিষ্ট আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী। শনিবার দুপুরে এক শোকবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
শোকবার্তায় সংসদ সদস্য হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী প্রবীণ আইনজীবী রফিক-উল হকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত হয়েছিলেন। সরকারের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা হয়েও কোনো বেতন নেননি তিনি। ১৯৬০ সালে কলকাতায় প্রথম মামলা থেকে শুরু করে মাঝে দীর্ঘ ৬০ বছর আইন পেশায় যুক্ত থেকেছেন। এর মধ্যে ১/১১ এর সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়া দুজনেরই আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।
সততা ও আদর্শের প্রতীক হিসেবে কাজ করেছেন তিনি, তিনি আইন পেশায় থেকে যে বড় বড় মামলায় তিনি লড়েছেন তাতে প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার সুযোগ থাকলেও বস্তুগত বিষয়ের প্রতি রফিক-উল-হকের কখনোই আগ্রহ ছিল না।
সাংসদ মাদানী বলেন, ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মিথ্যা মামলায় বন্দী করে। সেই দুঃসময়ে ব্যারিস্টার রফিকুল হক তাকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে আইনি লড়াইয়ে এগিয়ে আসেন।
সংসদ সদস্য আলহাজ¦ হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় রাজধানীর আদ দ্বীন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রফিক-উল হক মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। ফুসফুসে সংক্রমণসহ নানা জটিলতা নিয়ে গত ১৫ অক্টোবর ঢাকার আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক। এর মধ্যে তার স্টোকও হয়েছিল।