বিপণি বিতান থেকে ফুটপাত পর্যন্ত ঈদের বেচাকেনা জমজমাট

44

গত দুই বছর করোনা মহামারীর পর এবার জমে উঠেছে ময়মনসিংহের ঈদ মার্কেট। ঈদকে সামনে রেখে পুরোদমে চলছে শেষ মূহুর্তের বেচাকেনা। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিপণি-বিতাণ থেকে ফুটপাতে থাকে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। ময়মনসিংহ নগরীর স্টেশনরোড, গাঙিনারপাড়, নতুনবাজার, রামবাবু রোড ও চরপাড়ায় এলাকায় ছোট-বড় সব ধরনের শপিংমল, কাপড়ের দোকান, খ্যাতনামা ফ্যাশন হাউজ, ব্র্যান্ডশপ, শো-রুম, এমনকী ফুটপাতেও জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মার্কেটে গিয়ে দেখা গেছে, ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে বিপণি-বিতানগুলোতে ততই ভিড় বাড়ছে। ক্রেতারা পছন্দমতো পোশাক কিনতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন।

এবার ঈদের কেনাকাটায় তরুণীদের নজর কেরেছে সারারা, গারারা, পুস্পা, তাওয়াক্কাল নামের বাহারী পোষাক। এছাড়াও রয়েছে ইন্ডিয়ান সাহারা জর্জেট, ডায়মন্ড, বিনয়, কাঁচা-বাদাম, লাচ্ছা, বিবেগ, লংস্কার্ট, পাখি-লেহেঙ্গা, ঐশ্বরিয়ার ময়ূরী-ড্রেস আর পাকিস্থানি বাড়িস, খুবসুরত, পাকিস্থানি-কটি, শাহজাদি ইত্যাদি ডিজাইনের পোশাক। নজরকাড়া রকমারি ডিজাইনের শাড়ী, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিসের পাশাপাশি নতুন নতুন ব্র্যান্ডের জমকালো পণ্যের পসরা সাজিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছেন দোকানীরা। টেইলার্সের দোকানেও প্রচুর ভিড় লক্ষ করা গেছে তৈরী কাপড় সংগ্রহ করতে। তবে নতুন করে কাপড় বানানোর অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন টেইলার্স মালিকরা।

নতুন বাজার এলাকার আড়ং সুপার শপে ঈদবাজার করতে আসা আফরোজা সুলতানা বলেন, গত দুই বছর ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে পারিনি। এবার রোজার প্রথম দিকেই শপিং করে ফেলেছি। এখন এসেছি আত্মীয়স্বজনের জন্য কেনাকাটা করতে। চরপাড়া এলাকার মিলান ব্যন্ডের কাপড়ের দোকানের ক্রেতা এম এ মোতালেব বলেন, ঈদে কিছু কেনাকাটা করা দরকার, তাই মার্কেটে এসেছি। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর ঈদে সব জিনিসপত্রের দাম বেশি। গাঙ্গিনারপাড় ইম্পেরিয়াল মাকের্টের জুতা কিনতে আসা মুরাদ মিয়া নামে ক্রেতা বলেন, ইতোমধ্যে পোষাক কিনে ফেলেছি। এখন এসেছি জুতা কেনার জন্য। এছাড়াও ঈদ উপলক্ষে ছোটখাটো বেশ কিছু জিনিস এখনো কেনা বাকি, যা দু-একদিনের মাঝে কিনে ফেলব।