পদ্মা সেতুর দুই পার সহ স্হাপিত হচ্ছে ৭ টি থানা

পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে (উত্তর ও দক্ষিণ) দুই থানাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাতটি থানা স্থাপিত হচ্ছে। অপরদিকে সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভা হচ্ছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিকার সভা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘সিলেট জেলার বিশ্বনাথে পৌরসভা গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে নিকার।’

শফিউল আলম বলেন, ‘পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে উত্তর ও দক্ষিণ থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে নিকার। যমুনা সেতুতে যেভাবে আছে একই রকমভাবে হবে।’ মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গার দর্শনাকে থানায় উন্নীত, ঠাকুরগাঁও সদর থানাকে বিভক্ত করে ভুল্লী নামে নতুন থানা, নোয়াখালী জেলার হাতিয়ার ভাষানচরে নতুন থানা, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়াকে বিভক্ত করে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানায় উন্নীত করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।’

কক্সবাজার সদর থানাকে ভাগ করে ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রকে থানায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি আরও বলেন, ‘গোপালগঞ্জ পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণ, বাগেরহাট জেলার মোংলা পোর্ট পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণ প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে নিকার।’

‘নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ পৌরসভার সীমানা সংকোচনের অনুমোদন করা হয়েছে বৈঠকে। এর কিছু অংশ বেজার (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ) মধ্যে পড়েছে। নিয়ম হলো পৌরসভায় বেজা হতে পারবে না। এ জন্য পৌরসভা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।’

গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কুমিল্লা জেলার আদর্শ সদর উপজেলার সদর দফতর ছত্রখিলে নিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আদর্শ সদর উপজেলার উপজেলা পরিষদ ভবনাদি সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে পড়েছে। এ জন্য এটাকে সিটি কর্পোরেশন থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের কাজিহাট থানার প্রশাসনিক সীমানা পুনর্নির্ধারণ অর্থাৎ এটা একটা পকেট ছিল সেটাকে মার্জ করে দেয়া হয়েছে।’