নীলফামারীতে ফুলের চারা বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন নার্সারী মালিকরা

নীলফামারী
জেলায় ফুলের চারা বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন নার্সারী মালিকরা। বিভিন্ন নার্সারী ঘুরে দেখা গেছে শীত মৌসুমের বিভিন্ন ফুলের চারা বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে লাল গোলাপ, সাদা গোলাপ, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, কসমস, সিলভিয়া, ক্যালেন্ডুলা, সূর্যমুখী, গ্লাডিলাস, দেশি গাদা, রক্ত গাদা ফুল রয়েছে। পরিচর্যা এবং চারা বিক্রিতে ব্যস্ত এখন নার্সারী মালিকরা। তারা বলছেন শীত বাড়ার সাথে এসব ফুলের চারা বেচা কেনা বেড়ে যায়। ফুলের চারা কিনে অনেকে বাড়িতে সাজাচ্ছেন বাগান। এতে লাভের মুখ দেখছেন নার্সারী মালিকরা।
জেলা শহরের মশিউর রহমান কলেজের অদূরে অবস্থিত প্রান্ত নার্সারীর মালিক আফিজার রহমান (৫৫) এবার এক বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের চারা করে বিক্রি করছেন। এর মধ্যে হাইব্রিড গাদা, রক্তগাদা, কুইন সুপার গাদা ও গোলাপ, হাইব্রিড ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, স্নোবল, ক্যান্ডুলা, জিনিয়া, সিলভিয়া, রক্তজবা, চায়না টগর, কসমস, হাইব্রিড তাজমহল গোলাপ, রানি গোলাপ, ইরানী গোলাপ রয়েছে। প্রকারভেদে এসব চারা তিনি বিক্রি করছেন ১৫ থেকে ১০০ টাকা দরে।
তিনি বলেন, “প্রায় সোয়া লাখ টাকা খরচ করে স্থাপন করেছি ওই নার্সারী। এ পর্যন্ত ৩ লাখ টাকার চারা বিক্রি করেছি। এখনো যে চারা রয়েছে তাতে ২ লাখ টাকার অধিক বিক্রি হবে”। নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারিতে ফুলের চারা বেশি বিক্রি হয় বলে জানান তিনি।
একইভাবে শহরের জোড়দোরগা এলাকার নার্সারী করেছেন আব্দুল হাকিম। এবার দুই বিঘা জমিতে ১৫ প্রজাতির ফুলের চারা কওে তা বিক্রি শুরু করেছেন ।
জেলা কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এনামুল হক জানান, জেলায় সরকারি, বেসরকারি মিলে ১১৬টি নার্সারী রয়েছে। এসব নার্সারীতে বিভিন্ন ফুলের চারাসহ ফলদ, বনজ ও ওষুধি চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। অন্যান্য চারার পাশাপাশি ফুলের চারা বিক্রি করে তারা লাভবান হচ্ছেন।-বাসস