নির্বাচন পরবর্তী হামলায় কাউন্সিলর প্রার্থীর এজেন্ট নিহত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকায় সুমন শিকদার (২৪) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৫ জন।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকার রহিম ব্যাপারী ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, নিহত সুমন ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম রাষ্টনের লালমাটিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রের পোলিং এজেন্ট ছিলেন। সুমন সিকদারের বাবা আনোয়ার আহমেদ একজন গাড়িচালক। লালমাটিয়ার ৪/২ ব্লকে তিনি পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সুমন সবার বড়। তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতিতে।

প্রত্যক্ষদর্শী নিহত সমনের বন্ধু সাজ্জাদ জানান, ‌‘আমি, সুমন, রুবেল, আলামিন, ইমরান (মেসি) ও ইমরানসহ ৬ জন রহিম ব্যাপারী ঘাটে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলাম। হঠাৎ অর্ধশত যুবক এসে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগের নেতা শাহ আলম জীবনের লোক কে কে আছে বলে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে সুমন আহত হলে আমরা তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসি। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কী কারণে তাকে এভাবে হত্যা করলো, আমরা জানি না। হামলার সময় সবার মুখে মাস্ক পরা থাকায় কাউকে চিনতে পারিনি।’

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. প্রবাহ বিশ্বাস বলেন, ‌‘আমাদের এখানে আনার আগেই সুমনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বুকের ডান পাশের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া তার পেটে, পায়ে ও পিঠসহ শরীরে বেশ কয়েকটি জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

মোহাম্মাদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. হারুন জানান, আমরা খবর পেয়ে হাসপাতালে আসি। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানা যাবে কেন কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে।