দেশ প্রেমটাই সকল পুলিশের আত্মত্যাগের মুখ্য ছিলো – ডিআইজি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ময়মনসিংহ ১ মার্চ :
ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজি ব্যারিস্টার মোঃ হারুন অর রশিদ বলেছেন, ২৫ মার্চ কালো রাতে ঔপনিবেশিক শাসনের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রথম গুলিটি করেছিলো বাংলাদেশ পুলিশ। দেশের যেকোন ক্রান্তি লগ্নে পুলিশ নিজের জীবন দিয়ে দেশ মাতৃকার সার্বভৌমত্ত রক্ষায় নিবেদিত। পুলিশের আত্মত্যাগ শুধুমাত্র দায়িত্ব পালনেই সীমাবদ্ধ ছিলো না, দেশ প্রেমটাই সকল আত্মত্যাগে মুখ্য ছিলো।

রবিবার (১ মার্চ) ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ লাইন্সে ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’ উপলক্ষে নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি, সংবর্ধনা ও আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে নিহত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ, র‍্যাব, পিবিআই, সিআইডি, শিল্প পুলিশ, এপিবিএনসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট।

এছাড়াও তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয় ও তাদের সম্মানে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন উপস্থিত সবাই।

ডিআইজি আরও বলেন, কর্তব্য পালনকালে জীবন উৎসর্গ করে পুলিশ সদস্যরা ত্যাগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। তাদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবেনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দশনা মোতাবেক দেশকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকমুক্ত করতে পুলিশের সদস্যরা সর্বদাই বলিষ্ট ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

এসময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো: ইকরামুল হক টিটু, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) নিরঞ্জন দেবনাথ, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. মোঃ আক্কাছ উদ্দিন ভূঁঞা, জেলা প্রশাসক মো: মিজানুর রহমান, র‍্যাব-১৪’র অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ এফতেখার উদ্দিন, এপিবিএন-২ এর অধিনায়ক মো: নজরুল ইসলাম, সিআইডি ময়মনসিংহ জোনের বিশেষ পুলিশ সুপার মো: মামুনুল আনসারী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, আনন্দ মোহন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র ভৌমিকসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জয়িতা শিল্পীর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো: আহমার উজ্জামান।

অনুষ্ঠানে আইন -শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং অপরাধীদের গ্রেফতারসহ দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধান ও জনগণের জানমাল রক্ষাকালে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত হওয়া জেলার ৬৫ জন দেশপ্রেমিক পুলিশ সদস্যের পরিবারবর্গকে স্বীকৃতি স্মারক ও উপহার তুলে দেওয়া হয়।