ত্রিশালে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় নেই কোনো ব্যবস্থা

মেহেদি জামান লিজনঃ
‘আপনারা ঘরে থাকুন, আমরা সংবাদ পৌঁছে দেব’ এই প্রত্যয় নিয়ে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহে কাজ করে যাচ্ছেন ত্রিশাল উপজেলার সাংবাদিকরা। নেই কোনো তাদের সুরক্ষা পোষাক। বৈশ্বিক বিস্তার করা প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় তাদের যে পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুমেন্ট (পিপিই) প্রয়োজন তাতে কারো নজর নেই। তবু করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করতে হচ্ছে সাংবাদিকদের।

করোনাভাইরাস অত্যন্ত ছোঁয়াচে, তাই ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি এবং এক জনগোষ্ঠী থেকে অন্য জনগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় আতঙ্কে আছে উপজেলার সাংবাদিকরা।

সারাদেশ যখন হোম কোয়ারেন্টিনে তখন ত্রিশালের সাংবাদিকরা ঘরে সংবাদ পৌছে দিচ্ছেন। দেশবাসী ওই সংবাদ গণমাধ্যমে পড়ে বা দেখে ঘরে সময় পার করছেন। ঘরে বসেই জানতে পারছেন, দেশ-বিদেশের সব পরিস্থিতি। যদি সাংবাদিকরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। তা হলে শুধু ওই সাংবাদিক ও তার পরিবারের সদস্যরাই নয়, দেশব্যাপী আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে করোনাভাইরাসের।

তাই সাংবাদিকদের নিয়ে বিদ্রুপ মন্তব্য বা নিশ্চুপ থাকার সময় নেই আর। অনেক সাংবাদিক খেয়ে না খেয়ে ছুঁটছেন সংবাদ সংগ্রহে। ঘুম, খাওয়া হারাম করে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করছেন, অক্লান্ত পরিশ্রম এ দূর্যোগ মোকাবেলায়। কোনো সাংবাদিকই প্রয়োজনীয় ইকুমেন্ট পাননি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত নজর দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তৃণমূলে কাজ করা সাংবাদিকবৃন্দ।

তাই জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাফেজ রুহুল আমীন মাদানী, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর মতিন সরকার, ত্রিশাল পৌর মেয়র এবিএম আনিসুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, আওয়ামীলীগ নেতা ইকবাল হোসেনের নিকট আকুল আবেদন নিরাপত্তার স্বার্থে ত্রিশাল উপজেলা কর্মরত সাংবাদিকদের সুরক্ষা (পিপিই) পোষাক প্রদান করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলুন।