ত্রিশালে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কালভার্ট নির্মাণ ও খাল খনন

ফারুক আহমেদ :
কৃষকদের কাছ থেকে বছর চুক্তি কৃষিজমি লিজ নিয়ে ত্রিশালের কানিহারী ইউনিয়নের এলংজানী গ্রামের গুজাপুরী খাল দখল ও খালের কালভার্ট বন্ধ করে মাছের ঘের (ফিসারি) খনন করেছিল দুই প্রভাবশালী ব্যক্তি। এতে এ বছর প্রায় দেড়শ একর বোরো ধানের ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় ছিল কৃষকরা। এনিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় প্রশাসন। পরে প্রশাসনের নির্দেশে মাছের ঘেরের একপাশে কালভার্ট নিমার্ণ ও খাল খনন করে দেন ফিসারি মালিকরা।

উপজেলার কানিহারী ইউনিয়নের এলংজানী গ্রামের পশ্চিমপাড়ার কয়েকশ একর এলাকা জুড়ে গুজাপুরী ও ভলি বিল। বর্ষাকালে ওই দুই বিলসহ কয়েকটি গ্রামের পানি নিষ্কাশন হতো যে খাল দিয়ে। দুই প্রভাবশালী ব্যক্তি জামতলা-কাজীরকান্দা সড়কের ওপর নির্মিত ওই খালের কালভার্ট ও খাল বন্ধ করে ফসলি জমিতে খনন করেন দুটি বিশাল মাছের ঘের। এতে এবছর প্রায় দেড়শ একর বোরো ধানের ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় পড়েন স্থানীয় কৃষকরা।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারি কমিশনার (ভুমি) তরিকুল ইসলাম ও ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জল। ওই সময় মাছের ঘেরের মালিক ফরিদুল ইসলাম মৃধা ও ইউপি সদস্য আহমদ আলী ওরফে বুলু মেম্বারকে দ্রæত সড়কের ওপর কালভার্ট নিমার্ণ ও খাল খনন করে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়। নির্দেশনা মোতাবেক কালভার্ট নিমার্ণ ও খাল খনন করে দেন ফিসারি মালিকরা।