তারাকান্দায় দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র শুভ উদ্বোধন 

                       
মোঃ খলিলুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় ‘মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় নির্মাণাধীন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে ১ম পর্যায়ে ৫০টি মডেল মসজিদের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে ধর্মীয় ভুল-ব্যাখ্যা দূর করে ইসলামের সঠিক বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ‘মুজিববর্ষে’ ময়মনসিংহের তারাকান্দাসহ একযোগে সারা দেশে ৫০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন। তারাকান্দার মসজিদটি উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের পশ্চিম তালদীঘি গ্রামে নির্মিত হয়েছে।

তারাকান্দায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন , ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শফিকুর রেজা বিশ্বাস, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাসরিন সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার, তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডঃ ফজলুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত,সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিন্নাত শহীদ পিংকি, তারাকান্দা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী রুনু ঠাকুর, সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া সরকার , ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নয়ন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা আক্তার কাকন, যুবলীগের আহব্বায়ক আব্দুল মান্নানসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানবৃন্দ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন জেলা ও বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ, আওয়ামীলীগ ও সহযোগি অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও  স্থানীয় জনসাধারণ।

এটাই হচ্ছে বিশ্বে প্রথম কোনো সরকারের একই সময়ে এত বিপুলসংখ্যক মসজিদ নির্মাণের ঘটনা। এর মধ্য দিয়ে ইসলামকে পুরোপুরি জানার ফলে ধর্মান্ধতা, উগ্রতা ও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা কমে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন আলেম-ওলামারা। আরব বিশ্বের মসজিদ কাম ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের আদলে এসব মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে।

আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত সুবিশাল এসব মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নারী ও পুরুষের আলাদা অজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা, লাইব্রেরি, গবেষণাকেন্দ্র, ইসলামিক বই বিক্রয়কেন্দ্র, কোরআন হেফজ বিভাগ, শিশু শিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, ইমামদের প্রশিক্ষণ, অটিজম কেন্দ্র, গণশিক্ষাকেন্দ্র, ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থাকবে। এছাড়া ইমাম-মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থা এবং গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা রাখা হয়েছে বলে জানা যায়।