টিকা পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার – প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, টিকা পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। সরকার সেই চিন্তা খেকেই করোনা ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে। এই টিকার ফলে দেশ করোনামুক্ত হবে।

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধন করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এ কার্যক্রমের উদ্বোধনের আয়োজন করা হয়। এ সময় গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন তিনি।
উদ্বোধনের পরপরই নিবন্ধনের জন্য অনলাইন ‘সুরক্ষা’ প্ল্যাটফর্ম খুলে দেওয়া হযেছে। এরপর দেশব্যাপী ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে ব্যাপকহারে এ কার্যক্রম চলবে।

গত মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, প্রথমদিন বুধবার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালেই টিকা দেওয়া হবে। বাকি চারটি হাসপাতালে বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) থেকে শুরু হবে প্রাথমিক পর্যায়ের টিকাদান কর্মসূচি।

তিনি বলেন, চিকিৎসাকর্মী, সেনাবাহিনীর সদস্য, পুলিশ, খেলোয়াড় ও সাংবাদিকসহ ২০-২৫ জনকে টিকা দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) ও মুগদা হাসপাতালে ২৮ জানুয়ারি থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। এসব হাসপাতালের ৪শ থেকে ৫শ স্বাস্থ্যকর্মীকে সবার আগে টিকা দেওয়া হবে। টিকা দেওয়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে প্রতিটি হাসপাতালেই আলাদাভাবে চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

গত ২০ জানুয়ারি ভারত সরকারের উপহার দেওয়া অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিডশিল্ড দেশে পৌঁছায়। গত সোমবার (২১ জানুয়ারি) দেশে আসে তিন কোটি টিকার প্রথম ৫০ লাখ ডোজ। এর মধ্যে ৬০ লাখ দেওয়া হবে প্রথম মাসে, দ্বিতীয় মাসে ৫০ লাখ, তৃতীয় মাসে আবার ৬০ লাখ। প্রথম মাসে যারা পাবেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে তৃতীয় মাসে। চুক্তি অনুযায়ী বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ঢাকা থেকে দেশের ৬৪ জেলার সিভিল সার্জনের কাছে টিকা পাঠানো হবে।