জুতা পালিশ থেকে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ চ্যাম্পিয়ন

প্রতিভা আর অদম্য চেষ্টায় যে কেউই জয় ছিনিয়ে আনতে পারে। সেটা বার বারই প্রমাণিত হয়। তার সর্বশেষ প্রমাণ পেলাম ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর মঞ্চে। অক্টোবর ২০১৯-এ শুরু হয়েছিল এই যাত্রা। শেষ হল ২০২০-র ২৩ ফেব্রুয়ারি। হয়ে গেল এ আসরের ফাইনাল। প্রায় চার মাসের এই যাত্রা অতিক্রম করে জয়ী হয়েছেন পাঞ্জাবের সানি হিন্দুস্তানি। ট্রফির পাশাপাশি ২৫ লাখ টাকার চেকও পান বিজেতা, সঙ্গে টি-সিরিজের সঙ্গে কাজ করার সুযোগও পেয়েছেন সানি হিন্দুস্তানি।

জনপ্রিয়তার শুরু সেই অডিশন রাউন্ডে। ‘মেরে রাকসে কামার’ গেয়ে তিন বিচারকদের মন জয় করে নিয়েছিলেন। এরপর ধীরে ধীরে ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর মঞ্চে গানের জাদুতে সকলের মন জয় করে নেন তিনি। শোতে আসা বিভিন্ন প্রতিযোগীরাও তার গানের প্রশংসা করেছেন।

শোয়ের ফার্স্ট রানার-আপ হলেন রোহিত রাউত। সেকেন্ড রানার-আপ হলেন অঙ্কোনা মুখার্জি। এছাড়াও ছিলেন অদ্রিজ ঘোষ এবং ঋধম কল্যাণ। জানা গেছে, টি-সিরিজের সঙ্গে কনট্রাক্ট সাইন করেছেন সানি হিন্দুস্তানি। শীঘ্রই তিনি একটি মিউজিক অ্যালবামে গান করতে চলেছেন। ট্রফির পাশাপাশি ২৫ লাখ টাকার চেকও পান তিনি।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে নিজের খুশি জাহির করেছেন সানি। তিনি বলেন, ‘আমি কল্পনাও করতে পারিনি এতটা দূর যেতে পারব। এই প্ল্যাটফর্ম আমাকে অনেক সুযোগ করে দিয়েছে। অনেকটা দূর থেকে চোখে স্বপ্ন নিয়ে এখানে এসেছিলাম। মনে হচ্ছে, সেদিনই যাত্রা শুরু হয়েছিল। ধন্যবাদ জানাতে চাই জনতাদের, যারা আমাকে এত ভালবাসা দিয়েছেন।’

জানা গেছে, সানি হিন্দুস্তানি খুবই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। ২০১৪ সালে তার বাবা মারা যাওয়ার পর সংসার চালাতে সে বাসস্ট্যান্ডে জুতা পালিশের দোকান করতো। সেখান থেকেই তার ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ এর পথচলা শুরু হয়। পারিবারিক অনটনের মধ্যেও তার গানের ইচ্ছেকে তার মা সব সময় উৎসাহ যুগিয়েছে। সে পাকিস্তানের রাহাত ফতেহ আলী খানের গানের ভক্ত।