চিকিৎসক হয়ে ফিরছেন পপি

দেশে লকডাউন ঘোষণার আগেই গ্রামের বাড়ি খুলনা গিয়ে আটকে গিয়েছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। সেখানে এলাকার মানুষের মাঝে ঘুরে ঘুরে খাদ্য ও করোনা সামগ্রী বিতরণ করতে গিয়ে করোনায়ও আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই মরণ ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে সম্প্রতি তিনি ঢাকায় ফেরেন। থাকছেন ইস্কাটনের বাসায়।

এরই মাঝে খবর, করোনোকালের মাঝারি বিরতি কাটিয়ে কাজে ফিরেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়িকা পপি। সম্প্রতি তিনি শেষ করেছেন ‘সাহসী যোদ্ধা’ নামে একটি ছবির কাজ। লকডাউন ঘোষণার অনেক আগে এ ছবির কাজ শুরু হয়েছিল। পরে লকডাউন ঘোষণার কারণে আটকে যায়। সেই বাকি থাকা কাজই শেষ করেছেন সম্প্রতি।

খবর এখানেই শেষ নয়। ‘সাহসী যোদ্ধা’র কাজ শেষ না হতেই ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ নামে নতুন আরও একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ‘কুলি’ খ্যাত নায়িকা। এটির প্রযোজনায় রয়েছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। যৌথভাবে ছবিটি পরিচালনা করবেন রাজু আলীম ও মাসুমা তানি। শিগগিরই ছবিটির শুটিং শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।

এই ছবিতে থাকবে ভালোবাসা, লকডাউন ও ডিভোর্সের গল্প। সেখানে পপিকে দেখা যাবে একজন চিকিৎসকের ভূমিকায়। নায়িকা জানান, ‘নতুন এই ছবিটি আমার জন্মদিনে উপহার হিসেবে পেয়েছি। ছবির গল্পটা অসাধারণ। গল্প ও চরিত্র মিলে দর্শক দারুণ একটি ছবি উপহার পাবেন- এমন প্রত্যাশা করতেই পারি।’

ভক্ত-সমর্থকদের অভিযোগ, ইদানীং পপিকে সেভাবে পর্দায় পাওয়া যাচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘সবসময় ভালো চরিত্র ও গল্পের সন্ধান করি। তাই গতানুগতিক গল্প বা চরিত্রে কাজ করার কোনো ইচ্ছা নেই। এর মানে এই নয় যে, আমি কাজ ছেড়ে দিয়েছি। ভালো গল্পের সিনেমা পেলে অবশ্যই করব।’

১৯৯৭ সালে মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘কুলি’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে চলচ্চিত্রে আবির্ভূত হন পপি। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম আবেদনময়ী এই অভিনেত্রী তার প্রায় দুই যুগের কেরিয়ারে ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘কি যাদু করিলা’ এবং ‘গঙ্গাযাত্রা’ ছবি তিনটিতে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন।