চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা সজীব উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক নির্বাচিত

রুপক চক্রবর্তী শরীয়তপুর :
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট শহিদুল ইসলাম সজীব শরীয়তপুর সদর উপজেলা যুবলীগের “সহ-সম্পাদক”নির্বাচিত হয়েছেন। ১০ ই নভেম্বর মঙ্গলবার শরীয়তপুর সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি বিল্লাল হোসেন দিপু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হোসেন সরদার উক্ত কমিটি অনুমোদন করেন। শরীয়তপুর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড নিবাসী এই যুবনেতা বর্তমানে জেলা আইনজীবী সমিতির একজন বিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবে কর্মরত আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন জামাত শিবির বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ছিলেন এই সাবেক ছাত্রনেতা। শিবির বিরোধী আন্দোলনের জন্য তাকে নানান হুমকি ধামকি থেকে শুরু করে একাধিক মামলায় জড়ানো হয়েছিলো, কিন্তু তবুও দমে যাননি শরীয়তপুরের এই মেধাবী ছাত্রনেতা। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী আইন ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক “সাধারণ সম্পাদক” হিসেবে সাফল্যের সাথে দ্বায়িত্ব পালন করেন। জাতীয় গনমাধ্যমে নিয়মিত লেখালেখি করেন বিশেষ ভাবে প্রচলিত আইনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ নির্ভর লেখার জন্য ইতিমধ্যে তিনি সারা দেশের আইন অংগনের মানুষের কাছে পরিচিত মুখ।
পরিক্ষীত এই ছাত্রনেতার যুবনেতায় আবির্ভাবে স্থানীয় জনগণ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক নেতা-কর্মীরা আনন্দ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি-সাধারন সম্পাদক’কে পরীক্ষিত এই সাবেক ছাত্রনেতাকে যুবনেতা হিসেবে মূল্যায়ন করায় ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিষন’৪১ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এমন ক্লিন ইমেজের যুবনেতার বিকল্প নেই। দলের ক্রান্তিলগ্নে কিভাবে দলকে আঁকড়ে থাকতে হয়, রাজপথে মশাল জ্বালাতে হয় তা ইতিমধ্যে তিনি দেখিয়েছেন।
উচ্চ শিক্ষিত, মার্জিত এই যুবনেতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কমিটির সভাপতি জনাব বিল্লাল হোসেন দিপু মিয়া বলেন, খুব ছোট বেলা থেকে তাকে আমরা চিনি। মেধাবী এই ছাত্রনেতা আজ পর্যন্ত কোন বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়ান নি, বরং দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে সর্বদা নির্ভীকতা দেখিয়েছেন। যুবলীগে তার অংশগ্রহণ নিশ্চিতভাবেই দলকে আরো শক্তিশালী করবে। আমি তার সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করি।”

এ বিষয়ে যুবনেতা এডভোকেট শহিদুল ইসলাম সজীব বলেন, “জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে অসংখ্যবার মৌলবাদী শিবিরের আক্রশের স্বীকার হয়েছি। হামলা-মামলার স্বীকার হয়েছি। কিন্তু মাঠ ছেড়ে পালাই নি। আজ বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরমুক্ত।বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশকে জননেত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে যেভাবে এগিয়ে নিয়ে এসেছেন, তাতে তিল পরিমাণ অবদান রাখতে পারলেও নিজেকে ভাগ্যবান মনে করবো। পালং জাজিরার তুমুল জনপ্রিয় নৌকার কান্ডারী, আমাদের একমাত্র অভিভাবক সাংসদ জনাব ইকবাল হোসেন অপু ভাই এবং তার সুযোগ্য ভাই সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সংগ্রামী সভাপতি বিল্লাল হোসেন দিপু ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। একটা কথাই বলবো, আমার প্রতি যে আস্থা-বিশ্বাস তারা দেখিয়েছেন তার প্রতিদানে শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত লড়ে যাবো। রাজপথে আছি, রাজপথে থাকবো। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।