খেটে খাওয়া জনগনের উদ্দেশ্য সাহায্য’র বাড়িয়ে দিলেন সাংসদ অপু

রুপক চক্রবর্তী শরীয়তপুর :
“মানুষ মানুষের জন্য” কোন মানুষ বিপদে পড়লে তার পাসে এসে অন্য মানুষ এসে দাঁড়াবে এবং বিপদগ্রস্ত মানুষকে সাহায্য করবে এটাই হওয়া উচিত। বর্তমানে সারা বিশ্ব নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) এ আক্রমনে আক্রমনিত। সারা দেশের ন্যায় করোনা আতঙ্ক বিরাজ করছে শরীয়তপুর জেলায়ও। ইতিমধ্যে স্থবির হয়ে পড়ছে বিভিন্ন স্থান। কাজ কর্ম কমে যাচ্ছে। এতে সমস্যায় পড়বে দিনমজুর বা নিন্মবিত্তের জনগন। তাদের এই সমস্যা কিছুটা হলেও অবসানের জন্য আজ শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলায় খেটে খাওয়া গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে ঘুরে ঘুরে শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু’র পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব সুলতান হোসেন মিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রদানকৃত খাদ্য সামগ্রী বিরতন করা হয়েছে।

সোমবার (২৩শে মার্চ) জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগের তত্বাবধায়নে সকাল ১০ টা থেকে শুরু করে বেলা ২টা পর্যন্ত জাজিরা উপজেলার কাজিরহাট বাজার থেকে শুরু করে জাজিরা শহর হয়ে মাঝির ঘাট পর্যন্ত স্থানীয় সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু’র পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব সুলতান হোসেন মিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে প্রদানকৃত ৫ কেজি করে চাল, ১ কেজি ডাল ও ২টি করে সাবান গরীব মানুষের মাঝে ঘুরে ঘুরে বিরতন করা হয়েছে। এসময় করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে সরকারের কতৃক নির্দেশিত নির্দেশনা লিপিবন্ধকৃত লিফলেট ও বিতরন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রুবেল বেপারী, ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সাইদুর খান যুগ্নসাধারণ সম্পাদক আনোয়ার ফকির, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুকুল ইসলাম আকাশ, সাধারণ সম্পাদক হৃদয় মাদবর, যুবলীগ নেতা বাবুল আকন, দেলোয়ার সিকদার, জাজিরা পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান ইলিয়াস, সাধারণ সম্পাদক সজীব বেপারী, জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সভাপতি তুষার হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক রানা বেপারী, জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ওয়াসিম মোল্লা, সুমন বেপারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক অমিত সিকদার, জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজ্জাক উদ্দন রুবেল মাদবর সহ প্রমুখ।

সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু বলেন, আজ সারাবিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। ইতিমধ্যে এ ভাইরাস বাংলাদেশ ও আঘাত করেছে।এ ভাইরাসের আক্রমনে বাংলাদেশে বেশ কয়েকজন চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং ৩ জন মারা ও গিয়েছে। করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে স্থবির হয়ে পড়ছে বিভিন্ন স্থান। বিশেষ করে যারা খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর বা নিন্মবিত্তের জনগন তাদের কোন সঞ্চিত অর্থ থাকে না। তাই তাদের প্রাথমিক ভাবে সাহায্য করার জন্য আমার যতটুকু সম্ভব তাদের পাশে দাড়ানোর উদ্দেশ্য আমার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত আলহাজ্ব সুলতান হোসেন মিয়া ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে চাল, ডাল ও সবান বিরতন করেছি। আমি জনগণের পাশে সর্বদা ছিলাম, আছি ও থাকবো। আমি সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ করে বলছি সবাই সরকার কতৃক করোনা ভাইরাস মোকাবেলার নির্দেশনা গুলো মেনে চলুন। আপনি ভাল থাকুন এবং অন্যকে ভাল রাখুন।