কম সময়ে ঘুম যাবেন!

অনিদ্রা একটি বিস্তর সমস্যা। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের নিকট। স্মার্ট ফোন, ইন্টানেট, স্ট্রিমিং সার্ভিসের যুগে দেরিতে ঘুমানোই যেন ফ্যাশন। কিন্তু অনেকেই শত চেষ্টা করেও রাতে ঘুমাতে পারেন না। তাদের জন্য এই ৫টি উপায়।

ঘুম না আসলে, অনিদ্রা দূর করার জন্য রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়। এই উপায়গুলো অনুসরণ করলে দূর হতে পারে অনিদ্রা সমস্যা। চলুন দেখে নেয়া যাক এমন ৫টি উপায়-

১. রাতে ঘুম না আসার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় দুশ্চিন্তাকে। রাতে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিলেই দেখা যায় নানা দুশ্চিন্তা আসতে থাকে মাথায়। এ সময়কে বলা হয় দুশ্চিন্তার সময় বা ওয়ারি টাইমস। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনার দুশ্চিন্তাগুলো দিনের বেলার জন্য রেখে দিন। দিনে কিছুক্ষন সময় একান্ত নিজের সাথে কাটান। সে সময় আপনার দুশ্চিন্তার বিষয়গুলো নিয়ে ভাবুন। তাহলে আর রাতে তা মাথায় ঘুরপাক খাবে না।

২. রাতে ঘুমানোর আগে অবশ্যই ক্যাফেইন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন- চা, কফি, এনার্জি ড্রিংস অথবা কোমল পানীয়। ক্যাফেইনের বৈশিষ্ট হচ্ছে তা আপনাকে ঘুমাতে দিবে না অথবা ঘুমালেও সে ঘুম গভীর হতে দিবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে ঘুমানোর অন্তত ৬ ঘন্টা আগে থেকে ক্যাফেইন খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৩. বিছানায় শুয়ে থাকার পরেও যদি ঘুম না আসে তাহলে চিকিৎসকরা ‘স্টিমুলাস কন্ট্রোল’ নামক চিকিৎসার কথা বলে থাকে। এই চিকিৎসায় আপনি আপনার মস্তিষ্ককে এমনভাবে তৈরি করবেন যেন বিছানা দেখামাত্রই আপনার মস্তিষ্ক ঘুমের জন্য তৈরি হয়। এছাড়া যদি শুয়ে থাকার পরেও ঘুম না আসে তাহলে জোর করে শুয়ে না থাকাই ভালো। ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে উঠে পরুন। হাঁটাহাঁটি করুন, বই পড়ুন, নিজের সাথে সময় কাটান। কিন্তু মোবাইল বা কম্পিউটার চালাবেন না।

৪. ঘুম না আসার আরেকটি কারণ হচ্ছে বারবার ঘড়িতে সময় দেখা। বারবার সময় দেখলে আপনি দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পরবেন যা আপনার ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলবে। তাই বিশেষজ্ঞরা ঘুমানোর সময় বারবার সময় দেখতে নিষেধ করেছেন।

৫. দ্রুত ঘুমানোর আরেকটি কার্যকরী উপায় হচ্ছে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে নিয়ে আসা। এর জন্য সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে ঘুমানোর আগে ঠান্ডা পানিতে গোসল করা। এতে শরীরে তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রী কমে যায় ফলে শরীর অনেকটা শিথিল হয় এবং চোখে আসে ঘুম।