আ. লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা,সাধারণ সম্পাদক কাদের

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টানা নবম বারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবং সাধারণ দ্বিতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে সারাদেশ থেকে আসা ৭ হাজার ৩৩৭ কাউন্সিলরের ভোটে তারা নির্বাচিত হন। এর আগে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কাউন্সিলররা নির্ধারিত আসনে গিয়ে বসেন।

এবার কাউন্সিলে ৩ সদস্যের নির্বাচন কমিশন কাজ করে। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন, সদস্য ছিলেন ড. মসিউর রহমান এবং প্রফেসর সাঈদুর রহমান।

সভাপতি পদে মনোনয়ন আহ্বান করা হলো আর কোন প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় শেখ হাসিনা টানা নবম বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন। সকল কাউন্সিলরদের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন আবদুল মতিন খসরু এবং সমর্থন করেন পীযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য।

এর সাধারণ সম্পাদকের নাম প্রস্তাব চাওয়া হয় কাউন্সিলরদের কাছ থেকে। জাহাঙ্গীর কবির নানক ওবায়দুল কাদেরের নাম প্রস্তাব করেন এবং আবদুর রহমান তার প্রস্তাব সমর্থন করেন। তিনিও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এর আগে পৌষের শীতকে উপেক্ষা কউন্সিলে ৭ হাজার ৩শত ৩৭ জন কাউন্সিল এসে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে। নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন করার আগে বিভিন্ন জেলা থেকে আগত কাউন্সিলরা বক্তব্য রাখেন।

কাউন্সিল অধিবেশন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন: বঙ্গবন্ধু আদর্শ মেন আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীকে রাজনীতি করতে হবে। সকলে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়তে হবে এবং সে জায়গা থেকে শিক্ষা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের রাজনীতি করতে হবে। আমি সামনে আরেকটি বই প্রকাশ করতে যাচ্ছি, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট। তার বিরুদ্ধে কতো অপ্রচার ছিলো, সব থাকবে সেখানে।

এবারের কাউন্সিলে শুরুতে সভাপতির বক্তব্যের পর সাধারণ সম্পাদক তার রিপোর্ট উপস্থাপন করেন। এরপর দলীয় ঘোষণা পত্র, দলীয় বাজেট এবং গঠনতন্ত্র পাস করা হয় কাউন্সিল থেকে।

এবারের জাতীয় কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের স্লোগান হচ্ছে, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে গড়তে সোনার দেশ, এগিয়ে চলেছি দুর্বার, আমরাই তো বাংলাদেশ’।