আল্লামা খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী আমার দেখায় জাতির সূর্য সন্তান

আল্লামা খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী আমার দেখায় জাতির সূর্য সন্তান। লেখক- মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক রাব্বী চৌধুরী, সাবেক সদস্য, ধর্ম বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগঃ যুগে যুগে অনেক লেখক, মনিষী, গুণী ব্যক্তিত্ব, কলামিস্ট, আলেম মশায়েখ দুনিয়ায় আসবেন এবং যাবেন। কিন্তু একজন খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী হুজুরের মত স্বচ্ছতার প্রতিক ও প্রজ্ঞাবান ব্যক্তিত্বের মত সুনিপুণ নিখাঁত মানুষের আগমন সংখ্যায় পাওয়া দুষ্কর হয়ে যাবে। মহান এই গুণী মানুষটি নিজেকে প্রস্তুত করেছেন এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন নিজের জ্ঞান হবার পর থেকেই। শান্তির ধর্ম ইসলামের প্রতি অগাধ পাণ্ডিত্যের ঝুলি বহন করে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া রূপসা থেকে পাথুরিয়া শুধু নয় বিশ্বের অনেক দেশেই যিনি কিনা ইসলামের প্রচার ও প্রসারে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মহান স্থপতি বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বুকে ধারন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার মানষে দীর্ঘদিন ধরে নিবেদিত প্রাণে নিরলসভাবে ঐক্যবদ্ধতার প্রতিক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারই ফলশ্রুতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পরপর উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য হিসেবে যুক্ত করে করেছেন। ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও যিনি গুরু দায়িত্ব পেয়েছেন পরপর দ্বিতীয় বারে। যিনি কিনা ইসলামীক ফাউন্ডেশনের গভর্নর এর দায়িত্বে ছিলেন দীর্ঘদিন ধরেই। মহান এই ব্যক্তিটি একজন সাদা মনের সাদা মানুষ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বজয়ের নতুন যাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে। তার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা মনন, সৃজনশীলতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আজ আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বাংলাদেশ সুপরিচিত। তিনি টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে প্রত্যেকটা সুযোগকে সুপরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের কল্যাণে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছেন। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের এই দুঃসময়েও তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আরো বেগবান হয়েছে। বাংলাদেশ এখনও বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এই সংক্রমণ থেকে অনেকটা ভালো অবস্থানে আছে। লিখছি একজন খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী কে নিয়ে- খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী তার দীর্ঘ জীবনের আদ্যোপান্ত তুলে ধরবো আজ। তার বেড়ে উঠা, পড়া-শোনা ও ক্যারিয়ার জীবন, বিভিন্ন সংগঠনের সাথে কার্যক্রম, রাজনৈতিক ভাবনা, জীবন দর্শন, চিন্তা-চেতনা সব কিছুই তুলে ধরার চেষ্টা মাত্র- খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী তার জন্ম চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলায় পালগিরি গ্রামে এক সম্রান্ত মুসলিম পরিবারের খন্দকার বাড়িতে। আব্বা ফরিদপুর উপজেলায় প্রাইমারি টিচার ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) শিক্ষক ছিলেন। সেই সুবাদে ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুরে বসবাস। সেখানে কাটে তার শৈশবের স্বর্ণালী দিনগুলি। ফরিদপুরে জেলা স্কুলে লেখাপড়া করেন। পরে ঢাকায় চলে আসেন। ঢাকা সিদ্দেশ্বরী বয়েস হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং মতিঝিল শহীদ স্মরণিকা মহাবিদ্যালয় থেকে এইচএসসি পাস করেন। পাশাপাশি মাদরাসাতেও লেখাপড়া করেন। খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান এবং সৌদি আরবে রিয়াদ ইউনিভার্সিটির অধীনে সমাজবিজ্ঞানে আরবিতে গ্রাজুয়েশন করেন। পরে আমেরিকার মেরিল হাস্ট ইউনিভাসিটি থেকে মাস্টার্স অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ) সম্পন্ন করেন। খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী বাংলাদেশ ইসলামি ফাউন্ডেশন বোর্ডের সাবেক গভর্নর ছিলেন, আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে পরপর দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। ২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলির সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সেন্ট্রাল রিলিজিয়াস অ্যাফায়ার্সের সাব কমিটির চেয়ারম্যান, ফরিদপুর দুস্থ ও প্রতিবন্ধী কল্যাণ সংস্থার সভাপতি, বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের সেক্রেটারি, দ্য হলি কোরআন মিশন ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়াও ২৭ বছর ধরে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সম্মানিত জুমা খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন। কুমিল্লার তিতাস থানায় তার নিজের রহমাতুল্লা মিল্ল আল আমিন দরবার শরিফ ও মুসলিম এতিমখানা মাদরাসা আছে। সেটাও পরিচালনা করছেন। খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী সৌদি আরবে পড়াশোনা শেষ করে সৌদি আমেরিকান ব্যাংকে সিনিয়রক্রেডিট অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগদানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তার পেশাগত জীবন। সেখানে ৭ বছর চাকরি করেছেন। কাজ করার পাশাপাশি ধর্ম নিয়ে সুফিয়াজমের উপরে রিসার্চ করেছেন। দ্য হলি কোরআন মিশন ইন্টারন্যাশনালের কার্যক্রম সারা বিশ্বে রয়েছে। বিশেষ করে ৯/১১ এরপরে ‘ইসলাম শান্তির ধর্ম’ এ নিয়ে লন্ডন, ইউরোপ, আমেরিকায় মানুষের মধ্যে যে ভ্রান্ত ধারণা ছিল সে বিষয়গুলো দূর করতে খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী কাজ করেছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে যেমন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি), হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়, ইমপিরিয়াল কলেজ লন্ডন, সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি ও ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ম বিষয়ে সভা-সেমিনার, আলোচনা সভা, মহাফিলে মানুষকে দাওয়াত দিতেন আর সেখানে বক্তৃতা দিতেন। ইসলাম শান্তি ও মানবতার ধর্ম বিষয়ে বিভিন্ন টিভি ও পত্রিকায় বক্তব্য দিয়েছেন। ইসলামের বিভিন্ন দিকে বিষয় নিয়ে ৩৯টি লিখেছেন। এর মধ্যে ৩০টি বই বাংলায় এবং ৯টা ইংরেজিতে। বইগুলো সারা বিশ্বে পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ ইসলামী ফাউন্ডেশন ‘এর সাবেক গভর্নর, বাংলাদেশ আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত-এর মহাসচিব,ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ’এর যুগ্ম সভাপতি আল্লামা খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী সংকলিত “আল্লাহ প্রদত্ত বিশ্বনবী (সাল্লাল্লাহ আলায়হ ওয়াসাল্লাম )’এর ক্ষমতা”।বিভিন্ন বিখ্যাত কোরআন’এর তাফসীর এবং হাদীস’এর বিশদ বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহ আলায়হ ওয়াসাল্লাম)’এর ক্ষমতা বইটিতে তুলে ধরেছেন তিনি। খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী ২০০৯ সালে নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে বললেন, আপনি লন্ডন থেকে দেশে আসেন। আপনার মতো লোক আমাদের দলে দরকার আছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথা মতো তিনি চলে আসেন দেশে। পরে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে ধর্মীয় বিষয়গুলো দেখার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য করলেন। এরপর শুরু করে দেন দলের হয়ে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম। ২০০৯ ও ২০১৪ সালে দুটা নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাথে সারাদেশে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তব্য দিয়েছেন। তখনই নেত্রী আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামূলক কমিটির সদস্য বানিয়ে দিলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও আদর্শকে বুকে ধারণ করে জননেত্রীর দিকনির্দেশনায় দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করছেন। বিশেষ করে দেশের জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সারাদেশের প্রত্যেকটা জেলায় গিয়ে গিয়ে বিশাল জনসমাবেশে আওয়ামী লীগের পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরেন। ইসলামের শান্তি ও ন্যায্যতার পক্ষে সারা পৃথিবীতে ৪৮টা দেশ ও ৭টা উপমহাদেশে ভ্রমণ করেছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর নীতি আদর্শগুলো যেমন, ক্ষুধা, দারিদ্র, জঙ্গি, মাদক, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার বিষয়গুলো সারাদেশে সভা-সমাবেশে মানুষকে জানানোর প্রয়োজনীয়তা থেকে আমরা নিজে নিবেদিত প্রাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন আল্লামা খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহায়তায় এবং খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে দুস্থ মানুষের জন্য কুমিল্লার তিতাসে, ফরিদপুরে রিলিফ, করোনা ভাইরাস মহামারি ঠেকাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, এন্টিসেপটিক সামগ্রী, হ্যান্ড ওয়াশসহ প্রায় সব সুরক্ষা সামগ্রী দিয়েছেন। এছাড়াও রাজধানীতে বিভিন্ন জায়গায় মাস্ক, গ্লাবস দিয়েছেন। করোনা সংক্রমণের ক্রান্তিলগ্নে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা জনগণের জীবন ও জীবিকা সুনিশ্চিত করতে নিঃস্বার্থভাবে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। করোনা সংকটের শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন বলেই বাংলাদেশ এখনও বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এই সংক্রমণ থেকে অনেকটা ভালো অবস্থানে আছে। খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী আশা করেন প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ শিগগিরই আগের রূপে ফিরে আসবে। বাংলাদেশের জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্রপরিচালনার সুযোগ পেয়েছেন। তিনি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তখন এই দেশের মাটি ও মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়ন করেছেন বহুমুখী উদ্যোগ। বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি তার অগাধ প্রেম ও ভালবাসারই তার রাজনীতির অনুপ্রেরণা। খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী এর দৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন সফল রাষ্ট্র নেতা এবং বিশ্ব নেতা। তিনি যে কোনো কঠিন পরিস্থিতে চ্যালেঞ্জ নিতে জানেন। জ্বালাও-পোড়াও, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতাসহ দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র, বাধা অতিক্রম করে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান সময়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, ক্রীড়া, পরিবেশ, কৃষি, খাদ্য, টেলিযোগাযোগ, সংস্কৃতি, সামাজিক নিরাপত্তা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এমন কোনো খাত নেই যে খাতে অগ্রগতি সাধিত হয়নি। দেশে অবকাঠামো উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, পুষ্টি, মাতৃত্ব এবং শিশু স্বাস্থ্য, প্রাথমিক শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রশংসিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলেও। তাই আগামীর বাংলাদেশ হবে উন্নত-সমৃদ্ধশালী একটা সোনার বাংলা। করোনাকালীন এই মাহাদুর্যোগের অবসান ঘটিয়ে দেশ হয়ে উঠবে আগের মতো প্রাণৈশ্বর্যে ভরপুর। মেহনতি কৃষক, কল-কারখানার শ্রমজীবী মানুষ, অবহেলিত নারী সমাজ, গ্রাম-শহরের গরিব-মধ্যবিত্ত, সৃজনশীল বাংলার তরুণ ও ছাত্রসমাজ দেখতে পাবে মুক্তির পথের নতুন দিশা। খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দীর দৃঢ় বিশ্বাস, শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সব সমস্যা কাটিয়ে উঠে জাতি দেখবে নতুন দিনের নতুন সূর্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘজীবী হউন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ।