আপনার যৌবন ধরে রাখবে “অশ্বগন্ধা”

131

হাতে পায়ে ব্যথা, হালকা সর্দি-কাশি হলেই আমরা মুঠো মুঠো ওযুধ খেয়ে ফেলি। তাত্ক্ষণিক আরাম পেলেও অনেক ওষুধেরই পার্শপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। জানেন কি বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা— এ সব সমস্যা নিরাময়ে অশ্বগন্ধার কোনো বিকল্প নেই? যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে এটি ৷ শুধু কী তাই, ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ করে অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ।

অশ্বগন্ধার উদ্ভিদের মূল রাসায়ানিক উপাদান এলকালয়েড এবং স্টেরইডাল লেক্টন্স। এ ছাড়াও এতে আছে উইথেনাইন, এনাফেরিনিন, এনাহাইড্রিন, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যামাইনো এসিড ইত্যাদি। প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্রে অশ্বগন্ধা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

>> সর্দি-কাশি থেকে রেহাই পেতে অশ্বগন্ধার মূল গুঁড়ো করে খাওয়া যেতে পারে। ক্রনিক ব্রংকাইটিসের ক্ষেত্রেও অশ্বগন্ধা একটি কার্যকর ওষধু। চোখের ব্যথা দূর করতে অশ্বগন্ধা বিশেষ উপকারী।

>> গ্যাস, আলসার, পেট ব্যথা নিরাময় সহ যকৃতের জন্য ভীষণ উপকারী অশ্বগন্ধার ফল। হজমের সমস্যা থাকলেও এই দাওয়াইয়ের উপর ভরসা রাখতে পারেন।

>> অশ্বগন্ধা গাছের রস শরীরে দ্রুত এনার্জি আনতে পারে। অশ্বগন্ধার মূল ও পাতা স্নায়ুর বিভিন্ন রোগের উপশমেও কাজে আসে।

>> শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াতেও অশ্বগন্ধার ভূমিকা অপরসীম। শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণও বাড়ায়।

>> ভাল ঘুমের জন্য অশ্বগন্ধা গুঁড়ো চিনিসহ ঘুমানোর আগে খেতে পারেন। এতে অনিদ্রার সমস্যা দূর হবে।

>> মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা, যেমন মাথা ঝিমঝিম করে ওঠা, হঠাৎ সংজ্ঞাহীনতা, অবসাদ প্রভৃতি দূর করতেও অশ্বগন্ধার কোনো জবাব নেই। আমাদের মনোযোগ বাড়াতেও পারে এর ভেষজ গুণ।

>> ক্যানসার রোগীদের ক্ষেত্রেও অশ্বগন্ধার রস দারুণ উপকারী। ক্যানসার সৃষ্টিকারী কোষ নির্মূল করে দিতে পারে এটি।