“অস্তিত্ব” -জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত

“অস্তিত্ব” -জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত

ক্ষণিকের অস্তিত্ব মাঝে।

আমি এসেছি ধরার বুকে।

খেলেছি আপনার লয়ে খেলা।

ধুলি মাটি উড়িয়ে যায় বেলা।

সকাল গড়িয়ে গিয়ে হয় সন্ধ্যাবেলা।

স্মৃতিপটে ভাসে সকাল,দুপুরবেলা।

মনে পড়ে সেদিনের সেই সকালটুকু।

সকলের আদরের ছিলাম এই খুকু।

আজ দুপুরের রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে পুড়ে।

কেমন যেন বুকেতে ধুক ধুক কড়া নড়ে।

দায়ীত্বের বুঝা চেপে কুঁজো হয়ে পড়ে পিঠ।

বয়ে নিতে হবেই বেঁচে আছো যতক্ষণ ঠিক।

সকালের সূর্য যখন অস্তে গিয়ে লাল আবরণ হয়।

বিকালের ক্লান্তি নেমে জীবন যেন শ্রান্তি খুঁজে লয়।

নানান রকম ভীরের মাঝে কেটেছে সকল বেলা।

এসেছিলাম একা আমি, যাবো আমি একেলা।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত্রি আসে জীবন বেলার শেষে।

মনে জাগে কোথাই আছি কোন সে অচিন দেশে।

সবাই চলছে দায়ীত্বের বেশে বুঝা বহন করে।

আমার কেহ নেয় না খবর একাই এখন ঘরে।

জীবন নামের রেলগাড়িটির কতরকম স্টেশন।

থামা,চলা,চড়াই, উৎরাই এই যেন তাঁর জীবন।

ভালো,মন্দ,হাসি,কান্না মিলেই কাটে সময়।

সময়ের সাথে কারো জীবন যেন বাঁধা নয়।